ভারতের স্বাধীনতা আন্দোলনের অন্যতম নেতা সুভাষচন্দ্র বসুর নিখোঁজ হয়ে
যাওয়া সংক্রান্ত ২০টি গোপন ফাইল রয়েছে সেদেশের প্রধানমন্ত্রীর সচিবালয়ে।
কিছু বিদেশী রাষ্ট্রের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হয়ে যেতে পারে এই আশঙ্কায় ওই
গোপন নথিগুলি প্রকাশ করা হয় না, এই সংক্রান্ত কোনও প্রশ্ন দেশের সংসদেও
ওঠানো যাবে না বলে ভারতের এক সংসদ সদস্যকে চিঠি দিয়ে জানিয়েছে
প্রধানমন্ত্রী মনমোহন সিংয়ের সচিবালয়। পার্লামেন্টের উচ্চ কক্ষ রাজ্যসভায়
সুভাষচন্দ্র বসুর বিষয়ে প্রশ্ন করতে চাওয়ার পরেও কেন সেই প্রশ্নগুলি করতে
দেওয়া হয় না তারই খোঁজ করতে গিয়ে পার্লামেন্ট সচিবালয় থেকে ওই নোট পাঠানো
হয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস দলের সংসদ সদস্য সুখেন্দু শেখর রায়ের কাছে। বিবিসি।
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
রাজনীতি লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
বৃহস্পতিবার, জানুয়ারি ২৩, ২০১৪
সোমবার, জানুয়ারি ০৬, ২০১৪
জামিলুল বাসারের প্রকাশিত গ্রন্থ ‘কোরআন বনাম শরিয়ত’ সম্পর্কে কিছু কথা, কিছু মন্তব্য
লিখেছেন : রইসউদ্দিন আরিফ
ধর্মতত্ত্ব বিষয়ক লেখালেখিতে বিশিষ্ট
চিন্তাবিদ ও গবেষক ম. জামিলুল বাসারের প্রথাবিরোধী চিন্তা-চেতনার পরিচয় পাওয়া যায়
তাঁর প্রথম প্রকাশিত গ্রন্থ ‘সংস্কার’-এ। লেখকের বর্তমান গ্রন্থ ‘কোরআন বনাম শরিয়ত’ মূলত পূর্ববর্তী
গ্রন্থেরই বৃহৎ কলেবরের নতুন সংস্করণ। ‘ঘাসফুল নদী’র প্রকাশনায় এই গ্রন্থটি নিয়ে ইতিমধ্যে পত্রপত্রিকায় কোনো
আলোচনা বা বিতর্ক হয়েছে কিনা আমার জানা নেই। তবে প্রথাবিরোধী ধর্মতাত্ত্বিক
বিতর্ক-সমলিত এই গ্রন্থটির ওপর বিস্তৃত আলোচনা হওয়া খুবই দরকার। পরিতাপের বিষয় হলো, আমাদের দেশের শরিয়তী ধারার ইসলামী চিন্তাবিদরা এ ধরনের বই
নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনায় আগ্রহী হন না। ধর্মতত্ত্বের ওপর আমার জ্ঞান খুবই সীমিত বলে
আমি শুধু আলোচ্য গ্রন্থে ইসলাম, হিন্দুধর্ম, কোরআন ও বেদ-উপনিষদ নিয়ে লেখা কিছু স্পর্শকাতর বিষয়ের ওপর
আলোকপাত করার চেষ্টা করবো।
লেখকের সাথে আমার ব্যক্তিগতভাবে
পরিচিত হওয়ার সৌভাগ্য না হলেও কথিত ধর্মীয় কুসংস্কার ও ধর্মান্ধতার বিরুদ্ধে
আপোষহীন সংগ্রামী মনোভাবের জন্য তাঁর প্রতি আমি খুবই শ্রদ্ধাশীল। এ কারণে তাঁর
সংস্কারমুক্ত মনোভাবের প্রতি শ্রদ্ধা রেখেই আলোচ্য গ্রন্থের কিছু বিশেষ অংশ নিয়ে
যে সংক্ষিপ্ত আলোচনা করবো তা যদি কোনো কারণে লেখকের মনোকষ্ট বা ক্ষোভের কারণ ঘটায়
তাহলে তার জন্য আগাম ক্ষমা চেয়ে নিচ্ছি।
সোমবার, ডিসেম্বর ১৬, ২০১৩
গণতন্ত্র মানে কি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী / বিরোধী দলীয় নেত্রী ?
লিখেছেন : মোঃ রাসেল
আগেই বলে নেওয়া দরকার যে,আমি একজন ছাত্রলীগ কর্মী । এবার আমার কথা শুনুন
: গণতন্ত্র মানে শুধু ভোটাধিকার নয়,গণতন্ত্র মানে সব নাগরিকের সমান
অধিকার। সব নাগরিকের ব্যক্তিগত জানমাল রক্ষার নিশ্চয়তা । সব নাগরিকের
মতপ্রকাশ ও বিশ্বাস চর্চা করার স্বাধীনতা। এই অধিকারই আজ আক্রান্ত ।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী /বিরোধীদলীয় নেত্রী , যদি দেশে গণতন্ত্র না
থাকে,তাহলে আমি কার জন্য রাজনীতি করব । আমার জয় বাংলার স্লোগানে মানুষের
আধিকারের কথা ছিল,সোনার বাংলার গড়ার কথা ছিল,অন্নহীন মানুষের অন্ন জোগান
দেওয়ার কথা ছিল ।
শুক্রবার, ডিসেম্বর ০৬, ২০১৩
নেলসন, জীবন্ত কিংবদন্তি ছিলেন জীবন্তই থাকবেন যতদিন মানবজাতি বেঁচে থাকবে
শুক্রবার ৬ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে ভোর ৪ টা ১৭ মিনিটে বিশ্বকে কাঁদিয়ে ৯৫
বছর বয়সে চলে গেলেন নেলসন ম্যান্ডেলা। নেলসন রোলিহ্লাহ্লা ম্যান্ডেলা (জন্ম: জুলাই ১৮, ১৯১৮ - ডিসেম্বর ৫, ২০১৩) ছিলেন দক্ষিণ আফ্রিকার গণতান্ত্রিকভাবে
নির্বাচিত প্রথম রাষ্ট্রপতি। তিনি ১৯৯৪ হতে ১৯৯৯ পর্যন্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব পালন করেন। এর আগে
ম্যান্ডেলা আফ্রিকান ন্যাশনাল কংগ্রেসের সশস্ত্র সংগঠন উমখন্তো উই সিযওয়ের নেতা হিসাবে বর্ণবাদ
বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। ১৯৬২ সালে তাঁকে দক্ষিণ আফ্রিকার বর্ণবাদী সরকার গ্রেপ্তার করে
ও অন্তর্ঘাতসহ নানা অপরাধের দায়ে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেয়। ম্যান্ডেলা ২৭
বছর কারাবাস করেন। এর অধিকাংশ সময়ই তিনি ছিলেন রবেন দ্বীপে। ১৯৯০ সালের
১১ই ফেব্রুয়ারি তিনি কারামুক্ত হন। এর পর তিনি তাঁর দলের হয়ে দক্ষিণ আফ্রিকার
শ্বেতাঙ্গ সরকারের সাথে শান্তি আলোচনায় অংশ নেন। এর ফলশ্রুতিতে দক্ষিণ আফ্রিকায়
বর্ণবাদের অবসান ঘটে এবং সব বর্ণের মানুষের অংশগ্রহণে ১৯৯৪ সালে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠিত
হয়।
বুধবার, ডিসেম্বর ০৪, ২০১৩
১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর : বাবরি মসজিদে মানবতার স্বপ্নভঙ্গ
|
লিখেছেন
: সোনা কান্তি
বড়ুয়া
|
|
সম্প্রতি বিভিন্ন সংবাদ পত্র সহ বাংলাদেশের বাংলা পত্রিকা দৈনিক ‘নয়া দিগন্তে’ ভারতে বাবরি মসজিদ ধ্বংস মামলার রায় সম্বন্ধে পড়তে পড়তে ত্রিপিটকের দশরথ জাতক শীর্ষক পুরানো বৌদ্ধ ইতিহাসের
কথা মনে পড়ে গেল।
বাবরি মসজিদ ধ্বংস করার পর ভারতীয় আদালতের রায়ে তিন
ভাগের মাত্র এক ভাগ পাবেন
মুসলিম জনতা। সর্বগ্রাসী
হিন্দুধর্মের রাম কাহিনি নিয়ে ঢক্কানিনাদের সময় দশরথ জাতক এবং ‘আল্লাহ উপনিষদ’ নিয়ে বিচার
বিশ্লেষনের জন্য কার ও
কোন লজ্জা হয় না বলে। “মুসলিম তার
নয়নমণি,
হিন্দু তাহার প্রাণ;” না মেনে রাম মন্দির আন্দোলনের উত্তাল ঢেউয়ের মাথায়
১৯৯২ সালে ৬ই ডিসেম্বর প্রায় দুই হাজার অপাপবিদ্ধ মানুষ হত্যা করা হয়েছিল লালকৃষ্ণ আডবাণী সহ
হিন্দু রাজনীতিবিদের বকওয়াস রাজনীতির
জন্যে।
|
রবিবার, নভেম্বর ২৪, ২০১৩
উন্নয়ন, বিভাজন ও জাতি : বাংলায় নমশূদ্র আন্দোলন, ১৮৭২-১৯৪৭
লিখেছেন : শেখর বন্দ্যোপাধ্যায়
১
জাতিবিভাগ, শ্রেণী আর ক্ষমতার সম্পর্কের মধ্যে প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলার সনাতন হিন্দু সমাজে যে ভারসাম্য ছিল (রায়, ১৯৮০, পৃঃ ৩২৪-২৫; সান্যাল, ১৯৮১, পৃঃ ১৯-২৬), ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে থাকলে তা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। সাধারণ ধারণা এই যে ভূমি বিক্রেয় পণ্যে পরিণত হলে, প্রথাবদ্ধ উৎপাদন সম্পর্কের জায়গা নেয় চুক্তিবদ্ধতা। নতুন পেশার সৃষ্টি হল, যার ভিত্তি ব্যক্তিগত যোগ্যতা। যে সব বণিক সম্প্রদায়ের বাণিজ্যকর্ম এতদিন আঞ্চলিকতার সীমায় আটকে ছিল, তারা এবার বিভিন্ন ইউরোপীয় কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাণিজ্য করে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর সুযোগ পেল। আর তা বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রাচুর্যের বন্টনকেও বিষমীকৃত করে। এরই পরিণতি, সামাজিক গতিশীলতার বৃদ্ধিতে সমাজে ক্ষমতার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার উপক্রম। কিন্তু যদি আদমসুমারির পেশা-সংক্রান্ত তথ্যকে সমাজের কিছু সাধারণ পরিবর্তনের সূচক হিসেবে গ্রহণ করি, যদিও সামাজিক পরিবর্তনের নির্ভরযোগ্য ছবি এর থেকে আদৌ পাওয়া যায় না (কনলন, ১৯৮১), তাহলে আমরা দেখব যে বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেও (১৯০১-১৯৩১) এই সামাজিক গতিশীলতা ছিল অত্যন্ত সীমিত, সমাজের একেবারে নিচের তলা থেকে কেউ ওপরে উঠে আসছে এ ঘটনাও দুর্লভ।
১
জাতিবিভাগ, শ্রেণী আর ক্ষমতার সম্পর্কের মধ্যে প্রাক-ঔপনিবেশিক বাংলার সনাতন হিন্দু সমাজে যে ভারসাম্য ছিল (রায়, ১৯৮০, পৃঃ ৩২৪-২৫; সান্যাল, ১৯৮১, পৃঃ ১৯-২৬), ইংরেজ ঔপনিবেশিক সরকার নতুন নতুন সুযোগ-সুবিধা তৈরি করতে থাকলে তা ভেঙে পড়ার উপক্রম হয়। সাধারণ ধারণা এই যে ভূমি বিক্রেয় পণ্যে পরিণত হলে, প্রথাবদ্ধ উৎপাদন সম্পর্কের জায়গা নেয় চুক্তিবদ্ধতা। নতুন পেশার সৃষ্টি হল, যার ভিত্তি ব্যক্তিগত যোগ্যতা। যে সব বণিক সম্প্রদায়ের বাণিজ্যকর্ম এতদিন আঞ্চলিকতার সীমায় আটকে ছিল, তারা এবার বিভিন্ন ইউরোপীয় কোম্পানির সঙ্গে সহযোগিতার ভিত্তিতে বাণিজ্য করে অবস্থার উন্নতি ঘটানোর সুযোগ পেল। আর তা বিভিন্ন জাতির মধ্যে প্রাচুর্যের বন্টনকেও বিষমীকৃত করে। এরই পরিণতি, সামাজিক গতিশীলতার বৃদ্ধিতে সমাজে ক্ষমতার সম্পর্ক ভেঙে পড়ার উপক্রম। কিন্তু যদি আদমসুমারির পেশা-সংক্রান্ত তথ্যকে সমাজের কিছু সাধারণ পরিবর্তনের সূচক হিসেবে গ্রহণ করি, যদিও সামাজিক পরিবর্তনের নির্ভরযোগ্য ছবি এর থেকে আদৌ পাওয়া যায় না (কনলন, ১৯৮১), তাহলে আমরা দেখব যে বিংশ শতাব্দীর গোড়াতেও (১৯০১-১৯৩১) এই সামাজিক গতিশীলতা ছিল অত্যন্ত সীমিত, সমাজের একেবারে নিচের তলা থেকে কেউ ওপরে উঠে আসছে এ ঘটনাও দুর্লভ।
শুক্রবার, নভেম্বর ২২, ২০১৩
হিন্দি কি ভারতের রাষ্ট্রভাষা ?
লিখেছেন
: রইসউদ্দিন গায়েন
না,হিন্দি ভারতের রাষ্ট্রভাষা নয়।ভারতের কোনও নির্দিষ্ট
রাষ্ট্রভাষা নেই।তাহলে হিন্দি ভাষা নিয়ে এতো হৈ-হুল্লোড় কিসের জন্য?১লা সেপ্টেম্বর থেকে ১৫ দিন ধরে ‘হিন্দি পখ্ওয়াড়া’ পালিত
হয়।উদ্দেশ্য মহৎ।কিন্তু এটাও ভেবে দেখা দরকার আরও ২২/২৩ টা ভাষা,যা’ সংবিধান-স্বীকৃত,সেগুলির
জন্য এরকম এক পক্ষকালব্যাপী ভাষাচর্চার সরকারি ব্যবস্থা আছে কি না(?)।যদি না থাকে(বলাবাহুল্য,ব্যবস্থা নেই),তবে প্রশ্ন ওঠাই স্বাভাবিক, কেন নেই? একটা গণতান্ত্রিক
রাষ্ট্রে সব জাতীয় ভাষাগুলি সমান মর্যাদার অধিকারী। ‘নানা ভাষা,নানা মত, নানা পরিধান/বিবিধের মাঝে দেখো মিলন মহান।’‘বৈচিত্রের মাঝে ঐক্য’ আমাদের
ভারতীয় সংস্কৃতির বৈশিষ্ট্য। নিঃসন্দেহে ‘বৈচিত্র’শব্দটি গুরূত্বপূর্ণ।সেই
বৈচিত্র অক্ষুন্ন রাখার আন্তরিক প্রয়াস যদি না থাকে,তবে জনকন্ঠে প্রতিবাদধ্বণি উচ্চারিত
হবেই।...
হিন্দি,উত্তর ভারতীয় জনগোষ্ঠির মিশ্রিত মাতৃভাষা।তাই তাঁদের জীবনে,মরণে এই ভাষা অমৃতময়।অপরদিকে দক্ষিণ ভারতীয়(বিশেষতঃ দ্রাবিড় সভ্যতা)মানুষের কাছে তা’ তীব্র বিষময়। ‘সত্যমেব
জয়তে’অমৃত বাণী সামনে রেখে, একজন ভারতীয় মিথ্যাচারে নিমজ্জিত হবেন,এ যেমন প্রত্যাশিত নয়; ‘হিন্দি’ আমাদের ‘রাষ্ট্রভাষা’ বলে অপপ্রচার করাও তেমনি কাঙ্খিত নয়।
অ-হিন্দি ভাষীদের ওপর জোর
করে হিন্দি-ভাষার বোঝা
চাপিয়ে দেওয়াও এক অমানবিক অত্যাচার।
বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ২১, ২০১৩
প্রাগৈতিহাসিক দুঃখ : এ-পার বাংলা বনাম ও-পার বাংলার বাঙালি !
লিখেছেন : জাহাঙ্গীর হোসেন
বাঙালি! বসবাস করে পৃথিবীর দু’টো ক্ষুদ্র ভূখণ্ডে। একটিকে তারা দাবি করে
নিজ স্বাধীন দেশ বলে, নাম ‘বাংলাদেশ, অন্যটি বিশাল ভারতের একাংশের
প্রদেশ, নাম ‘পশ্চিম বাংলা’। অভাব, দুর্যোগ আর কষ্ট বাঙালি জীবনের চিরন্তন সত্য।
হাজার বছরের পুরনো ‘চর্যাপদে’ও বাঙালি জীবনের অভাব, বঞ্চনা আর কষ্টের কথা সুষ্পষ্টভাবে
দৃশ্যমান। যে কারণে ‘সুখের কাঙাল’ বাঙালি
নিজ মাতৃভূমি ত্যাগ করে হতে চায় অভিবাসী, অনেকটা পরিজায়ী পাখির মত। কিন্তু তারপরও কষ্ট আর দুঃখ যেন তার পিছু ছাড়তে চায়না স্বদেশ কিংবা বিদেশে।
বিশাল ভারতের অংশ ছিল ‘বাংলা’ প্রদেশ। একসময় ভারতবর্ষের রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছিল বাঙালির অহঙ্কার ‘কোলকাতা’। মুসলিম লীগের দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ করা হয় ১৯৪৭ সনে, যাতে ভারতবর্ষের হিন্দু-মুসলমান বিশাল জনগণের কোন ম্যান্ডেট নেয়া হয়নি কখনো। পাঞ্জাব ও বাংলাকেও করা হয় বিভক্ত ধর্ম অনুসারে। একাংশ পড়ে পাকিস্তানের ভাগে, নতুন নামকরণ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান’।
বিশাল ভারতের অংশ ছিল ‘বাংলা’ প্রদেশ। একসময় ভারতবর্ষের রাজধানীর মর্যাদা লাভ করেছিল বাঙালির অহঙ্কার ‘কোলকাতা’। মুসলিম লীগের দ্বিজাতি তত্ত্বের ভিত্তিতে ভারত ভাগ করা হয় ১৯৪৭ সনে, যাতে ভারতবর্ষের হিন্দু-মুসলমান বিশাল জনগণের কোন ম্যান্ডেট নেয়া হয়নি কখনো। পাঞ্জাব ও বাংলাকেও করা হয় বিভক্ত ধর্ম অনুসারে। একাংশ পড়ে পাকিস্তানের ভাগে, নতুন নামকরণ হয় ‘পূর্ব পাকিস্তান’।
শনিবার, নভেম্বর ১৬, ২০১৩
মৌলবাদ-সন্ত্রাসবাদ-জিহাদ ও কাশ্মীর প্রসঙ্গ
লিখেছেন : রইসউদ্দিন গায়েন
‘মৌলবাদ’, ‘সন্ত্রাসবাদ’ এবং ‘জিহাদ’ এই তিনটি শব্দ আজ বিশ্ব জুড়ে সমালোচনার বিষয়বস্তু।এমন কোনো সংবাদমাধ্যম নেই(তা’ প্রিন্ট মিডিয়া হোক বা ইলেকট্রনিক মিডিয়া) যেখানে প্রতিনিয়ত এই তিনটি শব্দ নিয়ে কোনো না কোনো খবর প্রচারিত বা প্রকাশিত হয় না।আর সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার মতো এই শব্দগুলি কোনো এক বিশেষ সম্প্রদায়ের বিশেষণরূপে ব্যবহৃত হয়। অবশ্য এগুলো রিপোর্টার এবং সম্পাদকমন্ডলীর লৈখিক সুনিপুণ যোগ্যতার প্রকাশ। এখন আসা যাক এই তিনটি শব্দের অর্থ ও সঠিক প্রয়োগ-ভিত্তিক আলোচনায়। প্রথম শব্দটি ‘মৌলবাদ’, তা থেকে ‘মৌলবাদী’। মৌলবাদী’ কাকে বলবো? এর উত্তরে বলতে হয়,মৌলবাদী এমন একজন ব্যক্তি যিনি কোনো একটি বিষয়ে ‘মৌলিকত্ব’-কে কঠোরভাবে মেনে চলেন।
শুক্রবার, নভেম্বর ১৫, ২০১৩
ভারতীয় দালাল এবং বাংলাদেশের সংখ্যালঘু কথা
লিখেছেন: নাস্তিক দীপ
ইন্ডিয়ার দালাল অথবা ভারতের দালাল এই শব্দ হারহামেশাই শোনা যায় আমাদের দেশে।মজার ব্যাপার ভারত প্রাসঙ্গিক এই শব্দ যেভাবে শোনা যায় পৃথিবীর আর অন্য কোন দেশ নিয়েই এধরনের কোন শব্দ সেভাবে শোনা যায়না। হয়তো কেউ রাত-দিন ২৪ঘণ্টা লন্ডন-অ্যামেরিকা যাবার জন্য পাগল হয়েও লন্ডন-অ্যামেরিকার দালাল হতে পারেনা। আমাদের সিলেটের বেশিরভাগ পরিবারেরই কেউ না কেউ লন্ডনে থাকে।তারপরেও তারা লন্ডনের দালাল হতে পারেনা।অথচ ভারতে কেউ থাকুক বা না থাকুক ভারতের পক্ষে অথবা পাকিস্তানের বিপক্ষে কেউ কথা বললেই আমাদের দেশে সে ভারতের দালাল হয়ে যাবে।
এবার আসুন দেখে নেওয়া যাক এই শব্দের উৎপত্তি।৪৭ উপমহাদেশ দ্বিখণ্ডিত হয়ে জন্ম নেয় দুটি রাষ্ট্রের ভারত-পাকিস্তান;যার মধ্যে পাকিস্তান পুরোপুরি ধর্ম ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র।ইসলাম ব্যাবহার করে জন্ম নেয় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান।
ইন্ডিয়ার দালাল অথবা ভারতের দালাল এই শব্দ হারহামেশাই শোনা যায় আমাদের দেশে।মজার ব্যাপার ভারত প্রাসঙ্গিক এই শব্দ যেভাবে শোনা যায় পৃথিবীর আর অন্য কোন দেশ নিয়েই এধরনের কোন শব্দ সেভাবে শোনা যায়না। হয়তো কেউ রাত-দিন ২৪ঘণ্টা লন্ডন-অ্যামেরিকা যাবার জন্য পাগল হয়েও লন্ডন-অ্যামেরিকার দালাল হতে পারেনা। আমাদের সিলেটের বেশিরভাগ পরিবারেরই কেউ না কেউ লন্ডনে থাকে।তারপরেও তারা লন্ডনের দালাল হতে পারেনা।অথচ ভারতে কেউ থাকুক বা না থাকুক ভারতের পক্ষে অথবা পাকিস্তানের বিপক্ষে কেউ কথা বললেই আমাদের দেশে সে ভারতের দালাল হয়ে যাবে।
এবার আসুন দেখে নেওয়া যাক এই শব্দের উৎপত্তি।৪৭ উপমহাদেশ দ্বিখণ্ডিত হয়ে জন্ম নেয় দুটি রাষ্ট্রের ভারত-পাকিস্তান;যার মধ্যে পাকিস্তান পুরোপুরি ধর্ম ভিত্তিক একটি রাষ্ট্র।ইসলাম ব্যাবহার করে জন্ম নেয় পূর্ব ও পশ্চিম পাকিস্তান।
রবিবার, নভেম্বর ১০, ২০১৩
পশ্চিমবঙ্গ : কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণ অভিযোগ কি অযৌক্তিক ?
লিখেছেন : অভিরূপ সরকার
কেন্দ্রের বঞ্চনা কথাটা বাম আমলে খুব শোনা যেত৷ বাম নেতারা বলতেন , কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণের জন্যই রাজ্যের এই হাল৷ বলতেন , কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে রাজ্যের উন্নতি আটকে যাচ্ছে , ইস্কুল -কলেজ , রাস্তাঘাট -হাসপাতাল কিছুই দরকার মতো তৈরি করা যাচ্ছে না৷ অথচ রাজধানী দিল্লির দিকে তাকিয়ে দেখলে বোঝা যাবে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালা হচ্ছে সেখানে৷ একে বঞ্চনা না বললে বঞ্চনা কাকে বলব ? তখন কেন্দ্রে , বছর পাঁচেক বাদ দিলে , কংগ্রেসেরই রাজত্ব৷ তার মধ্যে আবার কিছু দিন বামেদের সমর্থনে রাজত্ব করেছে কংগ্রেস৷ যখন বাম -কংগ্রেসে ঝগড়াঝাটি চলত তখন কংগ্রেসিরা বলতেন , বামফ্রন্ট নিজের অপদার্থতা ঢাকার জন্য নানা রকম অজুহাত দেখায়৷ তার ভিতর কেন্দ্রের বঞ্চনার অজুহাতটা ফাটা রেকর্ডের মতো বেজেই চলেছে৷
কেন্দ্রের বঞ্চনা কথাটা বাম আমলে খুব শোনা যেত৷ বাম নেতারা বলতেন , কেন্দ্রের বিমাতৃসুলভ আচরণের জন্যই রাজ্যের এই হাল৷ বলতেন , কেন্দ্র টাকা দিচ্ছে না বলে রাজ্যের উন্নতি আটকে যাচ্ছে , ইস্কুল -কলেজ , রাস্তাঘাট -হাসপাতাল কিছুই দরকার মতো তৈরি করা যাচ্ছে না৷ অথচ রাজধানী দিল্লির দিকে তাকিয়ে দেখলে বোঝা যাবে কাঁড়ি কাঁড়ি টাকা ঢালা হচ্ছে সেখানে৷ একে বঞ্চনা না বললে বঞ্চনা কাকে বলব ? তখন কেন্দ্রে , বছর পাঁচেক বাদ দিলে , কংগ্রেসেরই রাজত্ব৷ তার মধ্যে আবার কিছু দিন বামেদের সমর্থনে রাজত্ব করেছে কংগ্রেস৷ যখন বাম -কংগ্রেসে ঝগড়াঝাটি চলত তখন কংগ্রেসিরা বলতেন , বামফ্রন্ট নিজের অপদার্থতা ঢাকার জন্য নানা রকম অজুহাত দেখায়৷ তার ভিতর কেন্দ্রের বঞ্চনার অজুহাতটা ফাটা রেকর্ডের মতো বেজেই চলেছে৷
শুক্রবার, নভেম্বর ০৮, ২০১৩
ধার্মিক না হয়ে কিন্তু সেকুলার হওয়া যায় না
লিখেছেন : মানস রায়
কিছুকাল আগে একটা খবর পড়ে বেশ মজাই পেলাম৷ সিপিআইএম -এর সদস্য -কর্মীদের এখন থেকে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে পুরোদস্ত্তর অংশ নিতে আর বাধা নেই৷ পুজো -আর্চায় , হজযাত্রায় , পৈতে বা দীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা রইল না , ধর্ম থেকে পার্টি এমবার্গো তুলে নিয়েছে৷
পল্টু স্যারের কথা মনে পড়ে গেল৷ ঠিক দশটা -দশ না হলেও দশটা পাঁচ হয়ে মাথাটা ঘাড়ের দিকে বাঁকা৷
পরনের ধুতি বুক অবধি জড়ানো , লক্ষ্মীপুজো বা সরস্বতী পুজোর দিন পল্টু স্যার তার ন্যুব্জ সাইকেলে পাড়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে , এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি যাচ্ছেন৷ যাচ্ছেন ও ত্রস্ত চোখে এ দিক ও দিক তাকাচ্ছেন৷ আর কিছুটা মুদ্রাদোষে বলতে পারেন , বাঁকানো মাথাটা আরও বাঁকিয়ে কাঁধে ছুঁয়ে নিচ্ছেন৷ সব মিলিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তি , অসহায়তার ছবি৷ আসলে পল্টু স্যার পাড়ায় যে সব সৎ , নিষ্ঠাবান কমিউনিস্ট কর্মী ছিলেন তাদের একজন৷ গত শতাব্দীর ছয় বা সাতের দশকে স্কুলের তলানি মাইনেতে ভাই -বোনে বিস্তৃত
কিছুকাল আগে একটা খবর পড়ে বেশ মজাই পেলাম৷ সিপিআইএম -এর সদস্য -কর্মীদের এখন থেকে ধর্মীয় আচার অনুষ্ঠানে পুরোদস্ত্তর অংশ নিতে আর বাধা নেই৷ পুজো -আর্চায় , হজযাত্রায় , পৈতে বা দীক্ষায় নিষেধাজ্ঞা রইল না , ধর্ম থেকে পার্টি এমবার্গো তুলে নিয়েছে৷
পল্টু স্যারের কথা মনে পড়ে গেল৷ ঠিক দশটা -দশ না হলেও দশটা পাঁচ হয়ে মাথাটা ঘাড়ের দিকে বাঁকা৷
পরনের ধুতি বুক অবধি জড়ানো , লক্ষ্মীপুজো বা সরস্বতী পুজোর দিন পল্টু স্যার তার ন্যুব্জ সাইকেলে পাড়ার এ প্রান্ত থেকে ও প্রান্তে , এ বাড়ি থেকে ও বাড়ি যাচ্ছেন৷ যাচ্ছেন ও ত্রস্ত চোখে এ দিক ও দিক তাকাচ্ছেন৷ আর কিছুটা মুদ্রাদোষে বলতে পারেন , বাঁকানো মাথাটা আরও বাঁকিয়ে কাঁধে ছুঁয়ে নিচ্ছেন৷ সব মিলিয়ে কেমন যেন একটা অস্বস্তি , অসহায়তার ছবি৷ আসলে পল্টু স্যার পাড়ায় যে সব সৎ , নিষ্ঠাবান কমিউনিস্ট কর্মী ছিলেন তাদের একজন৷ গত শতাব্দীর ছয় বা সাতের দশকে স্কুলের তলানি মাইনেতে ভাই -বোনে বিস্তৃত
সোমবার, নভেম্বর ০৪, ২০১৩
মিশরের গণভোট ও গণতন্ত্রের সংকট
লিখেছেন : তুষারশুভ্র
স্বাধীনতা, সে তো আমার প্রিয় মানুষের এক সাগর রক্তের বিনিময়ে কেনা
মিশরে নতুন সংবিধানের জন্য গণভোট অনুষ্ঠিত হয়ে গেল। সরকারীভাবে ইতিমধ্যেই
ফলাফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে দেখা যাচ্ছে- শতকরা ৬৩.৮ ভাগ হ্যাঁ ভোট
পড়েছে আর শতকরা ৩৬.২ ভাগ পড়েছে নতুন সংবিধানের বিপক্ষে। মিশরের
সরকার-বিরোধীরা গণভোটের ফলাফল মেনে নিতে অস্বীকার করেছে। তারা বলেছে, এ
ফলাফলকে তারা আদালতে চ্যালেঞ্জ করবে।ফলাফল যাইহোক আমার কাছে সেটা মুখ্য নয়
মূখ্য হল গণতন্ত্র। মিশরের গণভোট নিয়ে যা ঘটে গেল এবং যা ঘটতেছে বা যা ঘটবে
তাতে গণতন্ত্রের ফেরিওয়ালাদের গণতন্ত্রদাবীনামার মুখোশটা সজোরেই খুলে
দিয়েছে। বিগত কয়েকদিন ধরে মিশরের গণভোট সারাবিশ্বের সংবাদ মাধ্যমসহ, ব্লগ,
ফেসবুকে আলোচনা সমালোচনার অন্যতম বিষয়বস্তু ছিল বা আছে।
মিশরবাসীও এই প্রস্তাবিত সংবিধানের পক্ষে ও বিপক্ষ নামে দুইভাগ হয়ে
পড়েছে।
মঙ্গলবার, অক্টোবর ১৫, ২০১৩
ভারত-চিন দ্বন্দ্ব: কী ভাবে নিজভূমেই পিছু হঠে ভারত ?
লিখেছেন : রাজেশ কালরা
দেশবাসী আনন্দে ডগমগ কি না, জানা নেই৷ আমাদের নেতারা কিন্তু বেজায়
খুশি৷ হবেন না-ই বা কেন? কূটনৈতিক চাপের ফাঁস এমন ভাবে চিনের গলায় জড়িয়ে
দেওয়া গিয়েছিল যে, ব্যাটারা ভারতভূমে গজিয়ে তোলা তাঁবু-টাবু গুটিয়ে
পগারপার৷ ভারতীয় সেনাও তাদের তাঁবু গুটিয়ে নিয়েছে৷ অর্থাত্ , ইন্দি-চিনি
ভাই-ভাই৷ ওঁ শান্তি! বিদেশমন্ত্রী সলমন খুরশিদ খুশি খুশি গেলেন চিনে৷
চিনের রাষ্ট্রপ্রধানও নাকি এবার তাঁর প্রথম ভারত সফরে আসবেন৷ আহা কী আনন্দ! কূটনীতির
জালে এক্কেবারে রাম ফাঁসা ফেঁসেছে বেজিং৷ বন্ধুত্বের হাত বাড়াবে না
মানে!
যে সব সূত্র থেকে খবর পেয়েছি, তাতে শুনলাম চিনারা বলেছিল, প্রথমে আমাদের নিরাপত্তা বন্দোবস্ত আংশিক ভাবে হলেও গুটিয়ে ফেলতে হবে৷ তার পর তারা পিছু হঠবে কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে৷ তাতেই বিগলিত দিল্লি৷ বলে দেওয়া হল, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই নাকি উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে৷ দু’পক্ষই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে৷
যে সব সূত্র থেকে খবর পেয়েছি, তাতে শুনলাম চিনারা বলেছিল, প্রথমে আমাদের নিরাপত্তা বন্দোবস্ত আংশিক ভাবে হলেও গুটিয়ে ফেলতে হবে৷ তার পর তারা পিছু হঠবে কি না, তা নিয়ে চিন্তাভাবনা করবে৷ তাতেই বিগলিত দিল্লি৷ বলে দেওয়া হল, পারস্পরিক বোঝাপড়ার মাধ্যমেই নাকি উত্তেজনা প্রশমিত হয়েছে৷ দু’পক্ষই সরে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছে স্বতঃপ্রণোদিত ভাবে৷
প্রত্যাখানের অধিকার: স্বাগত, যদিও…
লিখেছেন :রাজেশ
কালরা
ফের গণতন্ত্রের রক্ষাকর্তার ভূমিকায় অবতীর্ণ সুপ্রিম কোর্ট৷ যুগান্তকারী
নির্দেশিকায় নির্বাচন কমিশনকে সর্বোচ্চ আদালত বলেছে, ভোটারদের হাতে তুলে
দিতে হবে প্রার্থীকে প্রত্যাখানের অধিকার৷ ইভিএমে এবার থেকে ‘উপরের কেউ
নন’ মার্কা বোতাম রাখতে হবে৷ শীর্ষ আদালত মনে করে, ‘এতে নির্বাচন
প্রক্রিয়ায় আমূল বদল আসবে এবং রাজনৈতিক দলগুলি স্বচ্ছ ভাবমূর্তির
প্রার্থীদের দাঁড় করাতে বাধ্য হবে৷’ একই সঙ্গে সুপ্রিম কোর্ট আশাবাদী, ‘মানুষ এর
ফলে ভালো প্রশাসনও পাবে৷’
এই নির্দেশ থেকে স্পষ্ট, দেশবাসী কী চান, তা শীর্ষ আদালতও বুঝতে পেরেছে৷ আম জনতার
দাবিতে এ যেন আইনের সিলমোহর৷ তাত্পর্যপূর্ণ ভাবে এই নির্দেশ এমন একটা সময়ে
এল যখন রাষ্ট্রপতি প্রণব মুখোপাধ্যায় সাংসদ, বিধায়কদের নিয়ে বিতর্কিত
অর্ডিন্যান্স নিয়ে চিন্তাভাবনা করছেন৷ তাতে কী বলা রয়েছে আমরা জানি৷ দু’বছর বা তার
বেশি কারাবাস হয়েছে বা হয়, এমন অপরাধে অভিযুক্ত সাংসদ বা
বিধায়ককে সরিয়ে দেওয়া হবে৷
সোমবার, সেপ্টেম্বর ০২, ২০১৩
ছিটমহল বিনিময়ে নেতারা উদাসীন ভোটের বাজারে এর দাম নেই, তাই ?
--- লিখেছেন রজত রায়
ভারত বাংলাদেশের মধ্যে ছিটমহল বিনিময়ের বিষয়টি নিয়ে আবারও জলঘোলা হতে
শুরু করেছে৷ বাংলাদেশের সঙ্গে
পূর্ব বোঝাপড়া অনুযায়ী কেন্দ্রীয় সরকার এ নিয়ে সংসদে প্রয়োজনীয় বিল আনার চেষ্টা করতেই বাধা এসেছে পশ্চিমবঙ্গ
সরকারের কাছ থেকে৷ অগত্যা আবারও এ নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সরকারের সঙ্গে কেন্দ্রের ইউ পি এ সরকার নতুন
করে কথা বলে একটা সমাধান খোঁজার চেষ্টা করছে৷
আবারও পশ্চিমবঙ্গের সঙ্গে কথা বলতে হচ্ছে, কারণ, পশ্চিমবঙ্গ সরকার আগে লিখিত ভাবে ছিটমহল বিনিময়ে সায় দিয়েও এখন নতুন করে বেঁকে বসেছে৷
মঙ্গলবার, জুলাই ৩০, ২০১৩
মঙ্গলবার, জুলাই ১৬, ২০১৩
গণতন্ত্রের ফুটো !!!! –- লিখেছেন রক্তিম ঘোষ
'কেশপুর সিপিএম-এর শেষ পুর' - গোছের স্লোগানের সাথে বছর ১০-১২ আগে ঘনিষ্ঠ ভাবে পরিচিত ছিলেন বাংলার মানুষ । সেই কেশপুরেই ধরা পড়লো কিনা গণতন্ত্রের ফুটো !!!! তাও আবার চিত্র সাংবাদিকের ক্যামেরায় !!!!!
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)

