লিখেছেন : মনোবর
সন্ধ্যেবেলা মা বলল, যা, বইপত্র নিয়ে তোর দাদুর বাড়িতে চলে যা। তোর কার্তিক মামা ওদের পড়ায় ওখানে তোকেও পড়িয়ে দেবে বলেছে। শুনে মন বেশ উৎফুল্ল হয়ে ঊঠল। দাদুর বাড়ি মানে ডাক্তার প্রবোধ রঞ্জন দাসের বাড়ি। ওরা আগে আধমাইল দূরে একটা বাড়িতে থাকত। সেই বাড়ি ছেড়ে কয়েকদিন আগে রাস্তার গায়ে যে নতুন সাদা বাড়িটা হালদাররা কিনেছে সেই বাড়িতে ওরা ঊঠে এসেছে। যেদিন এল সেদিন আমরা হাতে হাতে জিনিষ পত্র ধরাধরি করে সাহায্য করেছি। মা সেদিনই ঘোষণা করেছে ডাক্তার বাবু আমার কোন এক দূর সম্পর্কের দাদু হয়। আর ওনার চার মেয়ে সবাই আমার মাসী হয়। চারের মধ্যে দুজনের আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। মিতালী মাসী এখন কলেজে পড়ছে, আর চৈতালী মাসী বারুইপুরের রাসমণি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে। আর একজন হচ্ছে দাদুর বড়ছেলের ছেলে মনোজ সে ক্লাস সেভেনে পড়ে।
সন্ধ্যেবেলা মা বলল, যা, বইপত্র নিয়ে তোর দাদুর বাড়িতে চলে যা। তোর কার্তিক মামা ওদের পড়ায় ওখানে তোকেও পড়িয়ে দেবে বলেছে। শুনে মন বেশ উৎফুল্ল হয়ে ঊঠল। দাদুর বাড়ি মানে ডাক্তার প্রবোধ রঞ্জন দাসের বাড়ি। ওরা আগে আধমাইল দূরে একটা বাড়িতে থাকত। সেই বাড়ি ছেড়ে কয়েকদিন আগে রাস্তার গায়ে যে নতুন সাদা বাড়িটা হালদাররা কিনেছে সেই বাড়িতে ওরা ঊঠে এসেছে। যেদিন এল সেদিন আমরা হাতে হাতে জিনিষ পত্র ধরাধরি করে সাহায্য করেছি। মা সেদিনই ঘোষণা করেছে ডাক্তার বাবু আমার কোন এক দূর সম্পর্কের দাদু হয়। আর ওনার চার মেয়ে সবাই আমার মাসী হয়। চারের মধ্যে দুজনের আগেই বিয়ে হয়ে গেছে। মিতালী মাসী এখন কলেজে পড়ছে, আর চৈতালী মাসী বারুইপুরের রাসমণি বালিকা বিদ্যালয়ে ক্লাস নাইনে পড়ে। আর একজন হচ্ছে দাদুর বড়ছেলের ছেলে মনোজ সে ক্লাস সেভেনে পড়ে।