এক সময় যেখানে যৌনতা নিয়ে প্রকাশ্যে কথা বলাও ছিল অপরাধ , এখন সেখানে মুক্তির হাওয়া৷ প্রকাশ্যে তৈরি হয় সেক্স টয়৷ অনলাইন দুনিয়ায় তার চাহিদাও যথেষ্ট৷ ম্যাসাজ পার্লারের নামে রমরমিয়ে চলে দেহব্যবসা৷ কিন্ত্ত সেক্স ফেস্টিভ্যাল ? না , এ ধরনের উত্সবের ধারণা এর আগে সম্ভবত ছিল না চিনের মানুষের৷ একাকীত্বে ভোগা মানুষগুলির যৌনক্ষুধা মেটাতে আয়োজন করা হয়েছে গুয়াংঝৌ ন্যাশনাল সেক্স কালচার ফেস্টিভ্যালের৷
জ্ঞান-বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জ্ঞান-বিজ্ঞান লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
শনিবার, ডিসেম্বর ২১, ২০১৩
সোমবার, ডিসেম্বর ০৯, ২০১৩
আত্মদর্শন
লিখেছেন : সুদীপ নাথ
অতি অল্প বয়েসেই পিতৃহারা ব্রজলাল
নাথ। শহরে মাঝে মধ্যে আসেন। থাকেন শহর
সংলগ্ন এক গ্রামে। বাবার অবর্তমানে সংসারের দ্বায়িত্ত্ব সুন্দর ভাবেই পালন করেছেন।
দেখতে দেখতে ষাটে এসে পৌছেছেন। বাবার মৃত্যুর পর পর প্রাতিষ্ঠানিক পড়াশুনা ক্লাশ
নাইনের পর আর এগোয়নি। কিন্তু নাথ সমাজের সব স্তরেই ওনার পরিচিতি
আছে। এক ডাকে সবাই চেনে। একবার ওনাদের রাজ্য সন্মেলনে আমি সাংবাদিক হিসেবে উপস্থিত
ছিলাম। উনি ডায়াসেই বসেছিলেন। সুদর্শন তো বটেই, কথাবার্তাও খুবই মার্জিত এবং যখন ভাষণ রাখলেন, তখন বোঝা গেল তিনি এখনও বিভিন্ন বইপত্র নিয়ে
নাড়াচাড়া করেন।
মধ্যাহ্ন ভোজের সময় ওনার পাশে
খেতে বসার সুবাদে, পরিচয় মুহূর্তে অন্তরঙ্গতায় চলে যায়। আমার অন্য এক পাশে আর একজন
সাংবাদিক বন্ধুও ছিল। কোন একটা কথা প্রসঙ্গে আমার সাংবাদিক
বন্ধুটি মন্তব্য করেছিল- হিন্দু ধর্মের সৃষ্টির আগে ভারতে সবাই বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বী
ছিল। আমার বন্ধুর কথার উত্তরে আমি বলেছিলাম- ‘না, তোমার কথাটা ঠিক নয়।
তবে এক সময় হিন্দু ধর্মের প্রাধান্য খর্ব করে বৌদ্ধ ধর্ম খুবই প্রাধান্য অর্জন
করেছিল বটে, কিন্তু পরবর্তিতে হিন্দু ধর্মের পুনরুত্থান হয়েছিল”।
শনিবার, নভেম্বর ২৩, ২০১৩
কতিপয় বিষধর সাপের কোষ্ঠী-ঠিকুজি
লিখেছেন : অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
পৃথিবীর সবখানেই সাপের বসবাস। জলে-স্থলে কোথায় নেই !
বিশেষ করে দ্বীপগুলো হল এদের অভয়ারণ্য। সাপ বা সর্প হাতপাবিহীন এক প্রকার সরীসৃপ। বৈজ্ঞানিক
শ্রেণীবিন্যাস অনুযায়ী, Animalia (প্রাণী)
জগতের, কর্ডাটা (কর্ডটা) পর্বের,
Vertebrata (মেরুদণ্ডী) উপপর্বের, Sauropsida (সরোপ্সিডা) শ্রেণীর (শল্ক বা আঁশযুক্ত), Squamata (স্কোয়ামান্টা) বর্গের, Serpentes (সার্পেন্টেস)
উপবর্গের সদস্যদের সাপ বলে অভিহিত করা হয়।
অ্যান্টার্কটিকা ছাড়া সকল মহাদেশেই সাপের উপস্থিতি দেখা
যায়। এখন পর্যন্ত যতদূর জানা যায়, সাপের সর্বমোট ১৫টি পরিবার, ৪৫৬টি গণ, এবং ২,৯০০টিরও বেশি প্রজাতি রয়েছে। এদের আকার
খুব ছোটো, ১০ সে.মি. (থ্রেড সাপ) থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ২৫
ফুট বা ৭.৬ মিটার (অজগর ও অ্যানাকোন্ডা) পর্যন্ত হতে পারে। সম্প্রতি আবিষ্কৃত
টাইটানওবোয়া (Titanoboa) সাপের জীবাশ্ম প্রায় ১৩ মিটার
বা ৪৩ ফুট লম্বা।
বুধবার, নভেম্বর ২০, ২০১৩
জানা-অজানায় চায়ের ইতিহাস
লিখেছেন : অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়
পৃথিবীতে যত রকম পানীয় আছে তার মধ্যে জলের
পরই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয় চা। পৃথিবীর বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষের
পোশাক-পরিচ্ছদ, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাত্রার ধরনে বিস্তর পার্থক্য রয়েছে। তবে
এসব ব্যবধানকে বহু আগেই অতিক্রম করেছে চা নামক এ পানীয়টি। পৃথিবীর প্রায়
প্রতিটি মানুষের কাছে এক কাপ চা প্রশান্তির সমার্থক হিসেবে খ্যাত। জনপ্রিয় এ
পানীয়টির ইতিহাস যতটা দীর্ঘ ঠিক ততটা জটিলও। বিভিন্ন সভ্যতার বিভিন্ন
সংস্কৃতিতে চা পানের প্রথা ছড়িয়ে পড়তে সময় লাগে কয়েক হাজার বছর। ধারণা করা
হয়, ১৫০০ খ্রিস্টপূর্বাব্দ থেকে ১০৪৬ খ্রিস্টপূর্বাব্দের মধ্যবর্তী কোনো এক
সময় শাংদের রাজত্বকালে ঔষধি পানীয় হিসেবে চিনে প্রথম উৎপত্তি লাভ করে চা।
তবে চা পানের প্রথম বিশ্বাসযোগ্য কোনো প্রমাণ পাওয়া যায় হুয়া তো-এর একটি
লেখায়। ওই লেখা অনুসারে খ্রিস্টাব্দের তৃতীয় শতাব্দীতে প্রথম চা পান করা
হয়। এর অনেক পর ষোড়শ শতাব্দীতে পর্তুগিজ পুরোহিত ও বণিকদের চায়ের সঙ্গে
পরিচয় করে দেয় চিনারা।
বুধবার, নভেম্বর ১৩, ২০১৩
জিন রহস্যে হারিয়ে যাচ্ছে মায়ের নাড়ির টান
লিখেছেন : সুদীপ্ত তরফদার
দশমাস দশদিন গর্ভধারণ করে সন্তানের জন্ম দিলেন৷ পরে রক্ত পরীক্ষায় প্রমাণ মিলল আপনি নাকি তার মা (বায়োলজিক্যাল মাদার ) নন ! শুনে গল্পকথা মনে হলেও বাস্তবে এ ধরনের বিভ্রাটের শিকার হতে পারি আমি -আপনি যে কেউই৷ তাই ডিএনএ পরীক্ষা করে পিতৃত্ব অথবা মাতৃত্বের দাবি খারিজ বা বহাল করার আগে দু’বার ভাবার সময় কিন্ত্ত এসে গিয়েছে৷ ধর্ষণের মতো অপরাধের ক্ষেত্রেও তাই রয়ে যাচ্ছে প্রমাণের ফোকর গলে বেরিয়ে যাওয়ার সুযোগ৷ খুব বেশি দিন নয় , এই বছর চারেক আগেকার কথা৷ রাজ্যেরই এক আদালতের কাঠগড়ায় ছিলেন প্রতিষ্ঠিত এক ব্যবসায়ী৷ অভিযোগকারিণী মহিলা কল্পনাদেবী (নাম পরিবর্তিত) দাবি করেছিলেন , ১৩ বছর সুখী সাংসারিক জীবন কাটানোর পর পরনারীতে আসক্ত হয়ে তাঁকে ও তাঁর দুই সন্তানকে স্ত্রী -পুত্রের প্রাপ্য মর্যাদা দিতে অস্বীকার করছেন তাঁর স্বামী৷ তাঁর না হয় বিয়ের কাগজপত্র নেই৷ তা বলে তাঁদের দুই সন্তান তো রয়েছে৷ আদালত যেন তাঁদের প্রাপ্য সুবিচার দেয়৷
বুধবার, অক্টোবর ৩০, ২০১৩
আদি প্রাণ থেকে মানুষ : জীবনের স্বতঃস্ফূর্ত মিছিল
লিখেছেন : জাবালি
খোকা মাকে শুধায় ডেকে, ‘এলেম আমি কোথা থেকে কোন্খেনে তুই কুড়িয়ে পেলি আমাকে?’-অতি বিচক্ষণ মা যে উত্তর দিয়েছে
তাতে অবাধ্য খোকা খুশী হয়েছিল কিনা জানা যায় না। তবে খোকার এই জিজ্ঞাসা জগতের অত্যন্ত
মৌলিক প্রশ্নাবলীর মধ্যে একটি সন্দেহ নেই। জ্ঞানের সামগ্রিক ইতিহাসে খোকার মত অবাধ্য মানুষগুলো
বারবার জানতে চেয়েছে, আমরা কোথা থেকে এসেছি, কী আমাদের উৎস। মানুষের আগমনের অতি সাম্প্রতিক কালের বিজ্ঞান-চিত্র
উন্মোচনের আগে তাদের হাতে ছিল অসম্ভব রকমের বাজে সব গল্পকথা। চীনের উপকথায় পাওয়া যায় মানুষ জাতির উদ্ভব
ঘটেছে
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ২৪, ২০১৩
এখনো অজানা মহাবিশ্বের রহস্য । আদৌ কি রহস্য উন্মোচন হবে কোনোদিন ?
লিখেছেন
: আসিফ হাসান
মহাবিশ্বে বাসযোগ্য পৃথিবী কি একটাই? নাকি অনেক পৃথিবী রয়েছে। যদি থেকে থাকে, তবে কোথায়? বিজ্ঞানীরা দীর্ঘ দিন ধরে এই প্রশ্নের উত্তর খুঁজে বেড়াচ্ছেন। আর এর ফলে সৃষ্টি হয়েছে নানা তত্ত্বের। তবে সাধারণভাবে সবাই একমত, আমাদের এই পৃথিবী এই মহাবিশ্বে কোটি কোটি বিশ্বের সঙ্গী।
বিশ্বের সৃষ্টিরহস্য নিয়ে বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের
গবেষণা মাইলফলক হয়ে আছে।
তবে তারপর আরো গভীর পর্যালোচনা ও গবেষণা হয়েছে। আইনস্টাইন কেবল
পদার্থবিদ্যার সূত্রের মধ্যেই বাঁধতে
চেয়েছিলেন এই বিশ্বরহস্যকে। কিন্তু এখন কেবল আর অনুমান বা তত্ত্বনির্ভর নয়, গবেষকেরা পরীালব্ধ প্রমাণ হাজির করতে কাজ করছেন। প্রথম দিকের গবেষকেরা কেবল আমাদের
বিশ্বের মধ্যে কী রয়েছে, সে গবেষণা
করেছিলেন। কিন্তু বর্তমানে গবেষকেদের ল্য, আমাদের এই বিশ্বের বাইরে অন্যান্য বিশ্বের সন্ধান করা। মাল্টিভার্স বা
অনন্ত বিশ্বের ধারণাকে প্রতিষ্ঠিত করেছে বিগ ব্যাং তত্ত্ব, ইনফ্যাশনারি কসমোলজি বা স্ফীতিতত্ত্ব ও
স্ট্রিং থিওরি। এই তিনটি তত্ত্ব নিয়ে
কাজ করছেন- এমন গবেষকদের ভাষ্য, আমরা
অনন্য বিশ্বে নয়, আমরা অনন্ত ও কোলাহলপূর্ণ বিশ্বে বাস করছি। আমাদের
বিশ্বের বাইরে যেসব বিশ্ব রয়েছে, সেই বিশ্ব আমাদের বিশ্বের চেয়ে সম্পূর্ণ
আলাদা হতে পারে।
মঙ্গলবার, অক্টোবর ২২, ২০১৩
সেকি , ১০০ বিলিয়ন পৃথিবীসদৃশ গ্রহ থাকতে পারে মহাবিশ্বে !!!
লেখক : জিরো
টু ইনফিনিটি
অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক পৃথিবীসদৃশ গ্রহ খুঁজে বের করতে নতুন একটি পদ্ধতি
প্রস্তাব করেছেন এবং তারা আন্দাজ করছেন গোটা মহাবিশ্বে অন্তত ১০০ বিলিয়ন পৃথিবীসদৃশ গ্রহ রয়েছে। এই পদ্ধতিটি একটি “মাইক্রোল্যান্সিং” নামক একটি ট্যাকনিকের উপর নির্ভরশীল, যেটি এই মুহূর্তে নিউজিল্যাণ্ডের জন অবসারভেটরিতে ব্যবহৃত হচ্ছে। তাদের এই গবেষণার ফল অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি
প্রেসের “Monthly
Notices of the Royal Astronomical Society” তে প্রকাশিত হবে।
এই গবেষক দলের প্রধান অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডঃ ফিল ইয়ক জানান এই পুরো প্রক্রিয়াটির সফলতা এবং ব্যর্থতা নির্ভর করে মাইক্রোল্যান্সিং এবং নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের দেয়া ডাটার সামঞ্জস্যের উপর।
এই গবেষক দলের প্রধান অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞানের অধ্যাপক ডঃ ফিল ইয়ক জানান এই পুরো প্রক্রিয়াটির সফলতা এবং ব্যর্থতা নির্ভর করে মাইক্রোল্যান্সিং এবং নাসার কেপলার স্পেস টেলিস্কোপের দেয়া ডাটার সামঞ্জস্যের উপর।
শনিবার, অক্টোবর ১৯, ২০১৩
মানুষের মল থেকে তৈরি পিল প্রতিরোধ করছে সংক্রামক রোগ !
লিখেছেন : বিজ্ঞানরসিক
ঘাবড়ে যাবেন না যেন, যখন আপনার সামনে মল কিংবা পায়খানা থেকে তৈরি পিল খেতে দেয়া হবে। এতে সবই থাকবে, শুধু দুর্গন্ধ ছাড়া! হ্যাঁ, কথা সত্যি। গবেষকরা মলের উপর ভিত্তি করে নতুন এক ধরণের চিকিৎসাপদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ব্যাপারটি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন না হলেও, শুনতে খুব ভালো হয়তো শোনাবে না সবার কাছে!
ঘাবড়ে যাবেন না যেন, যখন আপনার সামনে মল কিংবা পায়খানা থেকে তৈরি পিল খেতে দেয়া হবে। এতে সবই থাকবে, শুধু দুর্গন্ধ ছাড়া! হ্যাঁ, কথা সত্যি। গবেষকরা মলের উপর ভিত্তি করে নতুন এক ধরণের চিকিৎসাপদ্ধতি উদ্ভাবনের চেষ্টা করে যাচ্ছেন। ব্যাপারটি বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে নতুন না হলেও, শুনতে খুব ভালো হয়তো শোনাবে না সবার কাছে!
শুক্রবার, অক্টোবর ১৮, ২০১৩
মেয়েদের স্তন ক্যানসারের পিছনে কি পুরুষ হরমোনের কারসাজি ? নতুন গবেষণায় কী মিলল !!!
লিখেছেন : জিরো টু ইনফিনিটি
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বলছেন স্তন ক্যান্সারের সারফেসে এন্ড্রোজেন রিসেপ্টর থাকে এবং ঐ পুরুষ হরমোনগুলো টেস্টোস্টেরন ফুয়েলের মত টিউমারের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। American Association for Cancer Research’এর এক সভায় গবেষকরা বলেন এই ধরনের রিসেপ্টরকে ব্লক করতে ঔষধ প্রয়োগ করা যেতে পারে এবং তারা এটা পরীক্ষা করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাতে চান।
কলোরাডো বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক বলছেন স্তন ক্যান্সারের সারফেসে এন্ড্রোজেন রিসেপ্টর থাকে এবং ঐ পুরুষ হরমোনগুলো টেস্টোস্টেরন ফুয়েলের মত টিউমারের বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। American Association for Cancer Research’এর এক সভায় গবেষকরা বলেন এই ধরনের রিসেপ্টরকে ব্লক করতে ঔষধ প্রয়োগ করা যেতে পারে এবং তারা এটা পরীক্ষা করতে ক্লিনিক্যাল ট্রায়াল চালাতে চান।
বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৩
লাল মাংস (রেড মিট) কেন খাবেন, কেন খাবেন না এবং হরমোন বিতর্ক
লিখেছেন : সাজিদ রেজা
আমরা সবাই জানি যে, লাল গোশত শরীরের জন্য
ক্ষতিকারক। আপনি জেনে অবাক হবেন যে, এটি একটি ঢালাও তথ্য। যা হোক, আমাদের
পরিমিতি জ্ঞান রেড মিটের সমূহ বিপদ এড়ানোর জন্য যথেষ্ট।
যে কারণে আপনি রেড মিট খাবেন
রেড মিটে আছে প্রচুর আয়রন। এখানে আয়রনের যে প্রকারটি পাওয়া যায় তাঁকে বলে, হিমি আয়রন।
এটি আমাদের শরীরে খুব দ্রুত শোষিত হয়। আমাদের দেশের গ্রাম অঞ্চলে
বিশেষ করে কিশোরী বা প্রসূতি মহিলাদের মাঝে আয়রনের অভাবে এনেমিয়া দেখা যায়।
রেড মিট সহজেই এ অবস্থা থেকে উত্তরন ঘটাতে পারে।
ঘামের গন্ধের কারণে অন্য মানুষ হারায় আপনার প্রতি বিশ্বাস !
লিখেছেন : বিজ্ঞানরসিক
ঘামের গন্ধ এড়ানোর জন্য কত কিছুই না করি আমরা! সুগন্ধি পাউডার, পারফিউম, বডি-স্প্রে
আরও কত কি! ঘামের গন্ধে অন্যরা বিরক্ত হবে এই চিন্তা থেকেই আমাদের ঘামের
দুর্গন্ধ ঠেকানোর এই প্রয়াস। কিন্তু শুধু বিরক্তি বা আমাদের সম্পর্কে খারাপ
ধারণা নয়, ঘামের দুর্গন্ধের ফলে আরও একটি সমস্যা হতে পারে আর তা হলো, আমাদের
প্রতি বিশ্বাস হারাতে পারে মানুষ! বিশেষত নারীদের ক্ষেত্রে গবেষণায় এটি
জানা গেছে।
নিজের শরীরে ঘামের দুর্গন্ধ হচ্ছে এটা বুঝতে পারলে আমাদের নিজেদেরই আত্মবিশ্বাসের
মাত্রা তলানিতে গিয়ে ঠেকে। আর PLOS ONE জার্নালে প্রকাশিত সাম্প্রতিক
এক গবেষণা থেকে জানা যায়, মানুষের বিশ্বাসযোগ্যতাও নির্ভর করে এর ওপরে। Monell Chemical Senses Center এর গবেষকরা বের করেছেন এই অদ্ভুতুড়ে তথ্য।
শুক্রবার, অক্টোবর ১১, ২০১৩
প্রেমিক কীভাবে প্রেমিকাকে কোলে নিয়ে হাঁটতে পারে ?
লিখেছেন ৹ সিরাজাম মুনির শ্রাবণ
একটা হিউমার
টাইপ উদাহরণ মনে পড়ছে। বাংলা সিনেমায় সাধারণ একটা পেয়ারা পারার জন্য হুট
করেই নায়ক মারাত্মক ওজনের নায়িকাকে কোলে তুলে ফেলে। একটা তরুণ খুব সহজেই বিপুল ওজনের
তরুণীকে কোলে করে ওপরে তুলে রাখতে পারে কিন্তু এর চেয়ে অনেক কম ওজনের
বালতি কিংবা গ্যাস সিলিন্ডার নিয়ে চলতে হিমশিম খেতে হয়। কিন্তু এর কারন
কী? ওজনদার
তরুণীকে তুলে ধরে
রাখার ক্ষেত্রে কি প্রচন্ড জৈবিক শক্তি কাজ করে? না হলে পেয়ারা পারার জন্য কেন সামান্য
আকশি কিংবা কোটার বদলে আস্ত তরুণীটাকেই কোলে নিয়ে নেয়? আকশির কি অভাব পরেছে?
ব্যাপারটা একটু তলিয়ে দেখা যাক।
বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১০, ২০১৩
সকালে ঘুম ভাঙার পর মেজাজ খারাপ থাকে কেন?
লিখেছেন : বিজ্ঞানরসিক
সকালে অ্যালার্ম ঘড়ির শব্দ শুনে ঘুম থেকে উঠলেন, ঘুম ঘুম
চোখে দিনের কাজকর্ম সারার জন্য প্রস্তুত হলেন। কিন্তু মেজাজটা কেমন যেন
খিঁচড়ে রয়েছে। সব কিছু করতেই বিরক্ত লাগছে। পরিবারের কেউ কিছু বললে হু-হা করে
জবাব দিচ্ছেন। এমনটা কোনও না কোনও সময়ে সবারই হয়েছে। কিন্তু এর পেছনে কারণ কি?
সকালে মেজাজ খারাপ থাকার পেছনে মূল কারণ রাতে ভালোভাবে না ঘুমানো। আর ঘুম থেকে
উঠেই যদি মনে পড়ে অফিসে একগাদা কাজ জমে আছে তাহলে মেজাজ আরও খারাপ হয়ে যেতে
বাধ্য। ইংল্যান্ডের এক জরিপে দেখা যায়, প্রতি দশ জনের মধ্যে ছয় জনই নিয়মিত
সকালের এই খারাপ মেজাজের শিকার। এর কারণ হিসেবে আরও কিছু ব্যাপার
দায়ী, যেমন ঘুম থেকে উঠে বাথরুমে যাবার জন্য লাইন ধরা, চা বানানোর উপকরন
খুঁজে না পাওয়া, ঘুম থেকে উঠেই খারাপ আবহাওয়ার মুখোমুখি হওয়া, অফিসে যাবার জন্য
গাড়ি
সোমবার, অক্টোবর ০৭, ২০১৩
পৃথিবীতে এতো জল কি ধূমকেতুই নিয়ে এলো ?
লেখকঃ আরাফাত রহমান
পানি, যাকে জীবন বলে জানি পৃথিবীর তিন ভাগ জল, একভাগ স্থল। এ কথাটা সেই ছোটবেলা থেকে পড়ে এসেছি। কিন্তু এতো জল এখানে
এলো কি করে? প্রথম দর্শনে
প্রশ্নটা হয়তো বোকার মতো মনে হবে। খিলখিল করে হেসেও দিতে পারেন। মনে হতে পারে, পৃথিবীতে পানি সবসময়েই ছিলো নাকি
আসলে অন্য কোন জায়গা থেকে এসেছিলো এধরনের চিন্তা একমাত্র পাগলরাই করতে
পারে।
কিন্তু এরকম নিরীহদর্শন প্রশ্নগুলো মাঝে মাঝে নাকানী-চুবানী
খাওয়ায়। হাওয়ার ২১ ভাগ অক্সিজেনের তলে ডুবে থাকতে থাকতে যেমন আমরা কখনোই চিন্তা
করতে পারি না যে একসময় বায়ুমন্ডলে বলতে গেলে কোন অক্সিজেনই ছিলো না।
আবার পৃথিবীর আদি প্রাণের উদ্ভব হয়েছিলো যে ব্যাক্টেরিয়া দিয়ে তাদের যে অক্সিজেনই লাগতো
না এই তথ্যট অবাক লাগতে পারে। তেমনি হয়তো অবাক হবেন জেনে যে মহাসাগর ভর্তি এতো
পানি কিভাবে পৃথিবীতে এলো এই প্রশ্নটা যে অনেক বিজ্ঞানীর মাথা কুঁড়ে
খেয়েছে ।শনিবার, অক্টোবর ০৫, ২০১৩
ভালোবাসার বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা কী ? প্রেম বলতে কী বুঝি ?
লিখেছেন -- জিরো টু
ইনফিনিটি
‘ভালবাসা! রসের খেলা!
সব রসের খেলা!
আহারে বেচারা হরমোন! রসায়ন! রসায়নিক পদার্থ! নিউরোট্রান্সমিটার! আর মিস্টার ডোপামিন! এবং মিস্টার সেরেটোনিন!!
আচ্ছা অনেক ঠাট্রা হলো। এবার একটু সিরিয়াস হই!
বিজ্ঞানের ভাষায়, প্রেম বা ভালবাসা হলো আমাদের মস্তিষ্কের থ্যালামাসের একধরনের রাসায়নিক অবস্থা | যার জন্য একাধারে দায়ী আমাদের জিন। প্রেমের প্রথমদিকে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, গাল – কান লাল হয়ে যাওয়া, হাতের তালু ঘেমে যাওয়ার উপসর্গ গুলো দেখা যায়; বিজ্ঞানীদের মতে সেসবের পেছনে দায়ী হলো ডোপামিন, নরেপিনেফ্রিন হরমোন।
মাঝে মাঝে দেখা যায় কারো কারো প্রেমের আবেগ কমে যায়। তার কারণ মস্তিষ্ক থেকে ওই হরমোনগুলো নিঃসৃত হয় না। আবার এও দেখা গেছে যে কোনো মানুষের শরীরে কৃত্রিমভাবে এই হরমোন রসায়ন প্রয়োগ করা হলে তাদের মাঝে সেই প্রেমের অনুভূতি হয়। প্রেম ভালবাসা যাই বলি না কেন স্বর্গীয় ফরগীয় যাই বলি না কেন রে ভাই সবই রসায়নের রসের খেলা! এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দেখতে পারেন জিরো টু ইনফিনিটির জুলাই ’১৩ সংখ্যাটি।
ডাঃ. মোহিত কামালের দারুণ একটা বই আছে "মানব মনের গতি প্রকৃতি"। ওখানে দারুণ করে ভালবাসা সহ মনের অন্যান্য রাসায়নিক ব্যাবচ্ছেদ করা হয়েছে’।
আহারে বেচারা হরমোন! রসায়ন! রসায়নিক পদার্থ! নিউরোট্রান্সমিটার! আর মিস্টার ডোপামিন! এবং মিস্টার সেরেটোনিন!!
আচ্ছা অনেক ঠাট্রা হলো। এবার একটু সিরিয়াস হই!
বিজ্ঞানের ভাষায়, প্রেম বা ভালবাসা হলো আমাদের মস্তিষ্কের থ্যালামাসের একধরনের রাসায়নিক অবস্থা | যার জন্য একাধারে দায়ী আমাদের জিন। প্রেমের প্রথমদিকে হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, গাল – কান লাল হয়ে যাওয়া, হাতের তালু ঘেমে যাওয়ার উপসর্গ গুলো দেখা যায়; বিজ্ঞানীদের মতে সেসবের পেছনে দায়ী হলো ডোপামিন, নরেপিনেফ্রিন হরমোন।
মাঝে মাঝে দেখা যায় কারো কারো প্রেমের আবেগ কমে যায়। তার কারণ মস্তিষ্ক থেকে ওই হরমোনগুলো নিঃসৃত হয় না। আবার এও দেখা গেছে যে কোনো মানুষের শরীরে কৃত্রিমভাবে এই হরমোন রসায়ন প্রয়োগ করা হলে তাদের মাঝে সেই প্রেমের অনুভূতি হয়। প্রেম ভালবাসা যাই বলি না কেন স্বর্গীয় ফরগীয় যাই বলি না কেন রে ভাই সবই রসায়নের রসের খেলা! এ বিষয়ে বিস্তারিত জানার জন্য দেখতে পারেন জিরো টু ইনফিনিটির জুলাই ’১৩ সংখ্যাটি।
ডাঃ. মোহিত কামালের দারুণ একটা বই আছে "মানব মনের গতি প্রকৃতি"। ওখানে দারুণ করে ভালবাসা সহ মনের অন্যান্য রাসায়নিক ব্যাবচ্ছেদ করা হয়েছে’।
বুধবার, অক্টোবর ০২, ২০১৩
প্রাণীদের অদ্ভুতুড়ে আত্মহত্যা ! প্রাণীদেরও অবসাদ ? নাকি পুরো ব্যাপারটাই রহস্যময় !!!
মানসিক, সামাজিক,
আর্থিক ইত্যাদি কারণে মানুষ অতিরিক্ত
বিষণ্ণতায় পর্যবসিত হয়ে আত্মহত্যা করে থাকে। আমরা তাই ধারণা করে থাকি মানুষের মতো উচ্চ পর্যায়ের
বুদ্ধিমত্তা যার নেই আত্মহত্যা সেই
প্রাণীর করার কথা না। অথচ রহস্যময় কোনো কারণ হোক আর অদ্ভুত রকমের আত্মত্যাগী আচরণ হোক,
প্রাণীকূলের মাঝে মানুষ
ছাড়াও অন্যদের মাঝে দেখা যায়
আত্মহত্যার নজির। বিশেষজ্ঞরা নিশ্চিত নন যে মানুষের মতো মানসিক সঙ্কটে ভোগার ফলেই তারা আত্মহত্যা
করে কি না। তবে যেসব মানুষ নিজ চোখে এমন ঘটনা পর্যবেক্ষণ করেছেন তাদের মতে এই ব্যাপারটি
নিঃসন্দেহে রহস্যময়।
১) নিঃশ্বাস বন্ধ করে মারা যাওয়া ডলফিনটিঃ
আজ থেকে প্রায় ৪০ বছর আগে ডলফিনের প্রশিক্ষক রিচার্ড ও’
ব্যারি পর্যবেক্ষণ করেন ক্যাথি নামের এক ডলফিনের আত্মহনন। ১৯৬০
এর দশকে বিখ্যাত টিভি শো “ফ্লিপার”
এ ব্যবহার করা হত ক্যাথিকে। এ ব্যাপারটি
তিনি এভাবে বর্ণনা
করেন যে, ক্যাথি ইচ্ছে করেই
নিঃশ্বাস নেওয়া বন্ধ করে দেয়। মানুষ যেভাবে কোনও সচেতন চিন্তা ছাড়াই নিঃশ্বাস নিতে থাকে,
ডলফিনদের ক্ষেত্রে তা
হয় না। প্রতিটি নিঃশ্বাস নেবার জন্য
তাদের চিন্তা করা লাগে এবং ইচ্ছাশক্তির ব্যবহার করতে হয়। ক্যাথি নামের এই ডলফিন তার প্রশিক্ষক
রিচার্ডের কাছে এসে নিঃশ্বাস নেওয়া বন্ধ
করে দেয় এবং সুইমিংপুলের তলায় পড়ে থাকে। এভাবে নিঃশ্বাস না নেবার কারণে তার মৃত্যু হয়।
এতে সদস্যতা:
পোস্টগুলি (Atom)









