জীবনযাপন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
জীবনযাপন লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রবিবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৪

সুচিত্রা সেন : কিংবদন্তীর জানা-অজানা

     লিখেছেন : অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সুচিত্রা সেন মানেই যেন এক জমকালো সেলুলয়েড সেনসেশন! সুচিত্রা সেন (এপ্রিল ৬, ১৯২৯/মতান্তরে এপ্রিল ৬, ১৯৩১) ভারতের অন্যতম বিখ্যাত অভিনেত্রী । লাখো বাঙালির হৃদয়ের রানি। বাংলা চলচিত্র ইতিহাসের জীবন্ত কিংবদন্তী। ১৯৭৮ সালে 'প্রণয়পাশা' ছবি মুক্তি পায়। সেই শেষ। তারপর থেকে আর লোকচক্ষুর সামনে আসেননি বাংলা চলচ্চিত্রের সবচেয়ে বড় মিথ সুচিত্রা সেন। তার নো-ম্যানস ল্যান্ডে কারও প্রবেশাধিকার ছিল না। আজও সুচিত্রা-রহস্য ভেদ করা সম্ভব হয়নি কারও। তার সেই বাঁকা চাহনি যা আজও বহু তরুণের ঘুম কেড়ে নেয়। উত্তম-সুচিত্রা জুটি আজও বাংলা চলচ্চিত্রের শ্রেষ্ঠ জুটি হিসাবে পরিগণিত। শুধু পশ্চিমবাংলায় নয়, শুধু ভারতে নয়—সুচিত্রা সেনের জনপ্রিয়তা

বৃহস্পতিবার, ডিসেম্বর ১২, ২০১৩

সমপ্রেমে ধাক্কা মেনেই যুদ্ধরথে সওয়ার ওরা


         লিখেছেন : কমলেশ চৌধুরী

নভেম্বর , ২০০৪৷ বনগাঁয় ট্রেনের সামনে ঝাঁপ দিয়ে আত্মহত্যা করেছিলেন কাজলী -অপর্ণা৷ ফেব্রুয়ারি , ২০১১৷ নন্দীগ্রামের সোনাচড়ায় আত্মঘাতী হন স্বপ্না -সুচেতা৷
উত্তর ২৪ পরগনা আর পূর্ব মেদিনীপুরের ঘটনা দু’টিকে একসুতোয় বেঁধে দিয়েছিল সুইসাইড নোট৷ যাতে লেখা ছিল --- আমাদের সম্পর্ক তোমরা মেনে নিতে পারলে না ! তাই চলে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম৷ আরও লেখা ছিল --- আমাদের দেহ একসঙ্গে দাহ কোরো৷ একসঙ্গে ‘যাওয়ার ’ শেষ আকুতি কেউ শোনেনি৷ মুখ ঘুরিয়ে ছিলেন ‘সমপ্রেম -শহিদদের ’ মা -বাবারা৷ প্রত্যন্ত গ্রামে থেকে এক হতে পারেননি ওঁরা৷ শহরের

সোমবার, ডিসেম্বর ০২, ২০১৩

ভিক্ষাবৃত্তি একটা মনস্তাত্ত্বিক বিপর্যয়ের নাম : ভিখারিকে ভিক্ষা দিয়ে সমাজকে পঙ্গু করার দায়িত্ব আপনি কেন নেবেন ?



লিখেছেন :অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

ভিখারি বা ভিক্ষা কথাটা শুনলেই আমাদের চোখের সামনে ভেসে উঠবে এক শ্রেণির মানুষগুলোর চেহারা যারা আর্তকন্ঠে অন্যের কাছে সাহায্যপ্রার্থী হয়ে হাত পেতে ছে -- দাবি অর্থ অথবা খাবার।  যে মানুষটা সাহায্য চাইছে সে ক  তার বাঁচার সম্ভাব্য সবগুলো উপায় বন্ধ হয়ে গেছে ? উত্তর অবশ্যইনা! বেশির ভাগ  ভিখারি তাদের ভিক্ষাবৃত্তি পেশা হিসাবে সানন্দে গ্রহণ করেছেঅতএব ভিক্ষাবৃত্তি একটি লাভজনক পেশাযে পেশায় ন্যূনতম বিনিয়োগ নেই, পরিশ্রম নেই শুধু নাটক বা ড্রামাটা ঠিকঠাক করতে পারলেই কেল্লা ফতে এই আয়করবিহীন উপার্জনের উপায় হিসাবেভিক্ষাবৃত্তিরাষ্ট্রীয় ভাবে আইন প্রণয়ন করে বন্ধ করে দেওয়া উচিত, অবিলম্বেই

শুক্রবার, অক্টোবর ২৫, ২০১৩

'আমি বাঙালি থাকতে চাই৷ কিন্ত্ত গায়ক হতে চাই সর্বভারতীয়৷' -- মান্না দে



                          লিখেছেন : রাজীব বন্দ্যোপাধ্যায়

তরঙ্গায়িত সমুদ্র, পূর্ব আকাশে সূর্য সবেমাত্র তার রঙ ছড়িয়েছে৷ শুকোতে দেওয়া মাছ ধরার জাল উড়ছে হাওয়ায়, হঠাত্‍ ভেসে এল মন কেমন করা সুরে সেই গান- 'মানস মইনিভরু, মধুময় নুল্লিতরু, নিন আরুমা পু ভাদিইল নি তে ডুব তারে আরে...' (ও আমার হূদয়ের ছোট্টো পাখি, আমার কাছে এসে মধুরতা দাও৷ তোমার সুন্দর বাগানে তুমি কাকে খুঁজে চলেছ?) ১৯৬৫ সালে মুক্তি পাওয়া মালয়ালম ছবি 'চেম্মিন' (বাংলা অর্থ- চিংড়ি)-এর নায়িকা এই গান শুনে উদ্বেল হয়ে উঠল৷ সলিল চৌধুরীর সুরে ভায়ালার রবি বর্মার কথায় উদ্বেল করে তুলেছিল কেরলকে৷ গায়কের নাম মান্না দে৷ প্রথম সঙ্গীতগুরু তাঁর কাকা কৃষ্ণচন্দ্র দে-র থেকেই মান্না দে সব ধরনের গান শোনার শিক্ষা পেয়েছিলেন, ছোটোবেলা থেকেই ভারতীয় ও পাশ্চাত্য সঙ্গীতের সাগরে ডুব দিয়েছেন প্রতিনিয়ত৷ ফলে, হিন্দি ও বাংলা ছাড়াও তিনি অনায়াস স্বাচ্ছন্দ্যে পাঞ্জাবি, মারাঠি, গুজরাটি, ওড়িয়া, ভোজপুরি, কন্নড় বা মালায়ালম ভাষায় নানা স্বাদের গান গেয়েছেন৷

রবিবার, অক্টোবর ১৩, ২০১৩

যেসব কারণে পরপুরুষে আসক্ত হয় নারীরা !!

                  লেখক পরিচিতি :  ইমতিয়াজ আহমেদ
সাধারণত মনে করা হয় পুরুষরাই তাদের নারী বন্ধু কিংবা স্ত্রীদের সঙ্গে ছলনা করে পরনারীতে আসক্ত হয়ে পড়ে। কিন্তু নারীরাও এদিক দিয়েও পিছিয়ে নেই। নারীরাও বিভিন্ন কারণে পুরুষদের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। সম্প্রতি এক জরিপে এ তথ্য উঠে এসেছে।
কারণগুলো হলো:
-      মেয়েরা বিভিন্ন কারণে তাদের সঙ্গীদের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে। যেমন নারীরা যখন বুঝতে পারে তাদের স্বামী বা ছেলে বন্ধু গুণের যথাযথ প্রসংশা করছে না অথবা তাকে অবহেলা কিংবা অবজ্ঞা করছেন তখন তারা পুরুষদের সঙ্গে প্রতারণা করে থাকে।
-      একজন নারী যখন বুঝতে পারে সে একজন স্ত্রী হিসেবে নয় বরং ঘরের দেখাশুনাকারী কিংবা অর্থ সরবরাহকারী হিসেবেই তাকে বেশি গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে তখন সে তার সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে।

শনিবার, অক্টোবর ১২, ২০১৩

বর-বউ না হলে কী আর... হেঃ হেঃ হেঃ



                      লিখেছেন শ্রমণা রায়

কী করে বুঝব বলুন তো যে আপনারা স্বামী-স্ত্রী
শান্ত ঘোলাটে চোখে আমাকে একবার আপাদমস্তক মেপে নিয়ে প্রশ্নটা ছুঁড়ে দিলেন কাচের ওপারে থাকা ভদ্রলোক। এমন একটি আনএক্সপেক্টেড বাউন্সারের মুখে পড়ে ঘোরতর ঘাবড়ে লাট খেল জয়। সে বেচারা বউকে নিয়ে দু'দিন ছুটি কাটাতে এসে এমন চরিত্রহীনতার দায়ে পড়তে হবে মোটেও বোঝেনি। এবার কী করা...

কলকাতা ছেড়ে কাছে-পিঠে কোথাও একটু টুক করে ঘুরে আসার ইচ্ছে কয়েকদিন ধরেই মনে দানা বাঁধছিল। তবে যেখানেই যাই, বাইকে যাব, এটা প্রথম থেকেই ঠিক করে ফেলেছিলাম। কলকাতা থেকে দূরত্ব, রুট - সব বিচার করে দেউলটি যাওয়া ঠিক হল। হাওড়া জেলার এই ছোট্ট গ্রাম কলকাতা থেকে মোটামুটি ৫০ কিলোমিটারের মত। রূপনারায়ণের ধারে শান্ত, নিরিবিলি জনপদ। ইন্টারনেটে ছবি দেখেও বেজায় পছন্দ হল।

একদিনের জন্য যাওয়া। সামান্য কিছু জামাকাপড় ও অন্য প্রয়োজনীয় জিনিস সঙ্গের ছোট ব্যাকপ্যাকে পুরে ভোর-ভোর বাইকে চেপে দুগ্গা-দুগ্গা বলে রওনা। (এক্ষেত্রে দুর্গাকে স্মরণের প্রয়োজনীয়তার বড় কারণ আমার মা ও শাশুড়ি। দু-জনেরই যুগপত্‍ আশঙ্কা এই সফরই আমাদের শেষ সফর হতে চলেছে। বাস-ট্রেন-গাড়ি এত কিছু যানবাহন থাকতে আমাদের এই বাইক-বাহনকে দু'জনের কেউই মোটেও ভালো চোখে দেখছে না।) বিদ্যাসাগর সেতু পেরিয়ে, কোনা এক্সপ্রেসওয়ে। তারপর ৬ নম্বর জাতীয় সড়ক। মেঘলা দিনে সকাল সকাল দু-চাকার ভর দিয়ে এই যাত্রা মনটা বেশ ফুরফুরে করে দিল। ধূলাগড়ে নেমে একবার চা খেয়ে আবার রওনা - পথে মাঝেমধ্যে ইচ্ছেমতো যেখানে খুশি থেমে খচরমচর ছবি তোলা - ফের চালাও পানসি...