ধর্মাধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
ধর্মাধর্ম লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

শনিবার, ফেব্রুয়ারি ০৮, ২০১৪

বৌদ্ধধর্মে নারীর মর্যাদা এবং সাম্প্রতিক প্রসঙ্গ

               লিখেছেন : দীপানন্দ ভিক্ষু 

ম্প্রতি নারীদের সামাজিক এবং ধর্মীয় মর্যাদা সম্পর্কে যখন খুব বেশি আলোচনা ও সমালোচনা উঠছে, ঠিক এ সময়ে সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনা করে বৌদ্ধধর্মে নারীদের মর্যাদা সম্পর্কে প্রতেক্যকে অবগত হওয়া আবশ্যক। সমাজে শত বাধা-বিপত্তি থাকা সত্ত্বেও নারী আজ সর্বোচ্চ শাসনক্ষমতার অধিকারী যা অধিকাংশ ক্ষেত্রে পুরুষই তাদের পাহারাদার। নারীদের এ অগ্রগতি অনেকের কাছে দৃষ্টিকটু হলেও আধুনিক রুচিসম্পন্ন ব্যক্তির কাছে তা শুধু গ্রহনযোগ্য নয়, উৎসাহ ব্যঞ্জকও। সাম্প্রতিক সময়ে বহুল আলোচিত বৌদ্ধসমাজের ঘটনা প্রবাহ নিয়ে বর্তমান প্রবন্ধের অবতারণা। বৌদ্ধদের আদর্শ তথ্য কেন্দ্র 'ধম্মইনফো' অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশিত সংবাদ (বুধবার মে ০৮, ২০১৩) পড়ে অবগত হই বাংলাদেশে নারীদের জন্যে প্রব্রজ্জ্যা গ্রহন বিধেয় নয় এবং যথারীতি বাংলাদেশ সংঘরাজ ভিক্ষু মহাসভা কর্তৃক ভদন্ত ডঃ বরসম্বোধি থেরোকে ব্রহ্মদন্ড প্রদান যা বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে পুনরায় অধিক গবেষণার সু্যোগ সৃষ্টি করে। অতঃপর ত্রিপিটকীয় গ্রন্থাবলীর উদাহরণ সম্বলিত বৌদ্ধধর্মে নারীর মর্যাদা সম্পর্কে এ প্রবন্ধ পাঠকের কাছে উপস্থাপিত হল। চার ভাগে বিভক্ত প্রবন্ধে প্রথম ভাগে আলোচনা করা হবে বুদ্ধের সময়কালীন নারী ও সামাজিক প্রসঙ্গ, দ্বিতীয় ভাগে ভিক্ষুণী সংঘের বিলুপ্তি ও ভিক্ষু মহাসভার যুক্তি, তৃতীয় ভাগে আধুনিক সমাজে প্রব্রজ্জিত নারী ও তাদের ভূমিকা, এবং চতুর্থ ভাগে বাংলাদেশে বৌদ্ধ নারী ও তাদের ধর্মীয় মর্যাদা।

শনিবার, জানুয়ারি ২৫, ২০১৪

কোরান নিয়ে মুসলমানদের ভন্ডামি

                  লিখেছেন : ফারুখ
            (আল আজহার বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক আহমদ মনসুরের লেখা থেকে)

মুসলমানদের চিন্তায় বিশ্বাসে লিখিত বা ছাপানো কোরান (মুস-হাফ) এবং কোরানের বাণীর মাঝে পার্থক্য আছে তারা মুস-হাফকে পবিত্র জ্ঞানে সম্মান করে , এর সম্মান রক্ষার্থে জীবন দিতে নিতে পিছপা হয় না , কিন্ত কোরাণের বাণীতে বিশ্বাস করে না কিছু উদাহরন -

রবিবার, জানুয়ারি ১৯, ২০১৪

চার্বাক দর্শন : আসলে স্বর্গ, অপবর্গ বা পারলৌকিক আত্মা বলে সত্যি কিছু নেই

                    লিখেছেন : দেবীপ্রসাদ চট্টোপাধ্যায়

'না আছে বুদ্ধি, না খেটে খাবার মত গতর; এমনতর অকর্মণ্য যে পুরোহিতশ্রেণি, তাদেরই একটা হিল্লে হিসেবে রচিত হয়েছে অগ্নিহোত্র যজ্ঞের কথা, তিন তিনটে বেদ, এবং এইরকম আরও অনেক কিছু। আসলে স্বর্গ, অপবর্গ বা পারলৌকিক আত্মা বলে সত্যি কিছু নেই।'
ভাবতে অবাক লাগে: অন্তত আড়াই হাজার বছর আগে আমাদের দেশে এই রকম সাংঘাতিক কথা শুনতে পাওয়া গিয়েছিল। শাসক শ্রেণির বিরুদ্ধে আক্রোশটা স্পষ্ট। তবু শুধু আক্রোশ নয়, সহজ বুদ্ধির নির্মল খণ্ডন-পদ্ধতিও। চার্বাকপন্থি যেমন বলেন। কর্মজীবনের কষ্টিপাথরে শাসকশ্রেণির দাবিগুলোকে ঘষে দেখো, দেখবে কী অসম্ভব রকমের মেকি। জ্যোতিষ্টম যজ্ঞে নিহত পশু যদি সোজা স্বর্গেই যায়, তাহলে যজমান কেন নিজের বাপকে হাড়িকাঠে ফেলে না? শ্রাদ্ধপিণ্ড যদি পরলোকগত মানুষের পেট ভরাতে পারে, তাহলে কেউ বিদেশ যাবার সময় তার সঙ্গে চিঁড়েমুড়ি বেঁধে দেবার আর দরকার কী? (ঘরে বসে তার উদ্দেশ্যে পিণ্ডি দিলেই তো চলা উচিত; হাজার হোক পরলোকের চেয়ে হইলোকেরই দেশান্তর অনেক কাছে-পিঠের ব্যাপার)। কিংবা, স্বর্গে বসে পৃথিবীতে দেওয়া পিণ্ডে যদি কারুর সাধ মেটে, তাহলে ছাদে বসে মাটিতে দেওয়া পিণ্ডে তার পেট ভরে না কেন?

রবিবার, জানুয়ারি ১২, ২০১৪

আতঙ্কিত মালাউন : বাংলাদেশের সংখ্যালঘুদের ভবিষ্যত কোনদিকে !

                  লিখেছেন : প্রদীপ দেব
বাংলাদেশের হিন্দুরা ঠিক কী রকমের আতঙ্কে দিন কাটান তা তাঁদের একজন না হলে ঠিকমতো বুঝতে পারা সম্ভব নয়। সংবেদনশীল বিবেকবান মানুষ সহানুভূতি অনুভব করবেন ঠিকই – কিন্তু সামান্য হলেও বোধের তারতম্য একটু থাকবেই।
বাংলাদেশের হিন্দুরা ‘মালাউন’ শব্দের সাথে বিশেষভাবে পরিচিত। কারণ জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে তাঁদের এই শব্দটা শুনতে হয় এবং বেশির ভাগ সময় শুনে হজম করে ফেলতে হয়। প্রতিকারের অক্ষমতা মানুষকে প্রতিবাদে নিরুৎসাহিত করে। ক্ষমতাহীন মানুষ ‘মাইন্ড’ করলেও কারো কিছু যায় আসে না। ফলে হিন্দুদের মালাউন বললে এখন আর তাঁদের ‘মাইন্ড’ করার উপায় নেই।

বুধবার, জানুয়ারি ০১, ২০১৪

নিছক গোরুর রচনা, গো-মাতা এবং হিন্দুগণের রসনা বিড়ম্বনা

      লিখেছেন : অনির্বাণ বন্দ্যোপাধ্যায়

সম্প্রতি স্বামী বিবেকানন্দের বাণী ও রচনা সমগ্র পড়ে আমি চমকে গেলাম। গ্রন্থের একটি অংশে স্বয়ং বিবেকানন্দ বলেছেন, একদা হিন্দুগণ গো-মাংস ভক্ষণ করত। আর দেরি নয়, খোঁজ-তালাশ লাগানো শুরু করে দিলাম। কে দেবে এই তথ্যের সত্য সন্ধান ? অবশ্যই প্রাচীন ধর্মগ্রন্থ এবং সাহিত্যগুলি সেই উত্তর দিতে পারে, এটা আন্দাজ করে বেদ সহ অন্যান্য বইপত্তর নিয়ে বসে পড়লাম। ও হরি ! এ তো দেখছি কেঁচো খুঁড়তে কেউটে ! আসুন, শেয়ার করি --
বাল্মীকি বিরচিত রামায়ণের আদি ও অযোধ্যাকাণ্ড খুলে দেখুন সেখানে স্পষ্ট করে লেখা আছে -- "রাম গোমাংস ভক্ষণ করিতেন"। বনগমনের পথে রাম, লক্ষ্মণ ও সীতা ভরদ্বাজ

মঙ্গলবার, নভেম্বর ২৬, ২০১৩

গণেশের মাথাটা হাতির মাথা হল কী করে ?

             লিখেছেন : গুরুদেবজী 
গণেশের জন্মের কথা মহাভরতের কোনো জায়গায় উল্লেখ নাই। গণেশ কি করে পার্বতীর (উমা, দুর্গা) সন্তান হল সে বিষয়েও মহাভারতে কিছু বলা নাই। তবে পুরাণে গণেশের জন্মের নানাবিধ বৃত্তান্ত পাওয়া যায়। শিব পুরাণে বলা হয়েছে,
মহামায়া দুর্গা (পার্বতী) মহাদেব শিবের কাছে সন্তান কামনা করলে শিব পুত্র উৎপাদনে অস্বীকৃতি জানান। কারণ মহাদেব শিব যেমন তেজস্বী ছিলেন, মহামায়া পার্বতীও তেমনি তেজস্বিনী ছিলেন। তাই তাদের মিলনে উৎপন্ন সন্তান হবে অধিক তেস্বজী আর সে তেজে ত্রিভুবন ভস্ম হয়ে যাবে।

সোমবার, নভেম্বর ১৮, ২০১৩

ধর্ম কী এবং কেন ? অন্য ভাবনা, অন্য দৃষ্টির বিশ্লেষণ

         লিখেছেন : রইসউদ্দিন গায়েন


ধর্ম-বিষয়ক কিছু বলার আগে সমার্থক কয়েকটি বিশেষ শব্দ-পরিচিতির দরকার। কর্তব্য-প্রীতি-সুনীতি-সৎসঙ্গ-অহিংসা-গুণ-ভাব ইত্যাদি শব্দগুলি ‘ধর্ম’ শব্দটির(প্রায়) সমার্থক।অথচ,আমাদের কাগজে-কলমে,খাতায়-পাতায়-মাথায়-কথায় ধর্মের ‘গোদা’ অর্থহ’ল---হিন্দু,ক্রিশ্চান,ইসলাম,শিখ,জৈন,বৌদ্ধ,আরও অনেক কিছুই। ‘ধৃ’ ধাতু থেকে নিষ্পত্তি হয়ে এসেছে ‘ধর্ম’ শব্দটি। ‘ধৃ’ যা ধরে রাখে।কী ধরে রাখে? না,মানুষের ‘মনুষ্যত্ব’-কে বা মানবের ‘মানবতা’-কে।কিন্তু আশ্চর্যের বিষয়---কোথাও নেই এই ‘মানবতাবাদ’-এর কথা! ইদানীং অবশ্য মুষ্টিমেয় কিছু মানুষের মুখে বা বিক্ষিপ্তভাবে কিছু পুস্তক-পত্রিকায় মানবতাবাদের উল্লেখ থাকলেও একজন ‘আদর্শ’ ‘মনুপুত্র’-র সন্ধান পাওয়া যাবে কিনা সন্দেহ---যাঁর কাছে ধর্মের প্রকৃত অর্থ হ’ল ‘মানবতাবাদ’।

রবিবার, নভেম্বর ১৭, ২০১৩

ভারত থেকে বৌদ্ধ উৎখাতে ব্রাহ্মণ্যবাদীদের ষড়যন্ত্র। ইতিহাস কি মিথ্যাবাদী ?

             লিখেছেন : কে এম আমিনুল হক   
ব্রাহ্মণজনগোষ্ঠী ভারতের ভূমি সন্তান নয়। এরা আর্য। আর্যরা ভারতের ভূমি সন্তান নয়- বহিরাগত। তারা অভাব দারিদ্র্য খাদ্য সংকট প্রাকৃতিক বিপর্যয় অথবা যুদ্ধজনিত কারণে বিতাড়িত হয়ে দক্ষিণ পূর্ব এশিয়ার দিকে নতুন আশ্রয়ের সন্ধানে আসে। আর্যদের আগমন সম্পর্কে সাম্প্রতিক ধারণা হল, খৃষ্টপূর্ব ৩ হাজার বছরের দিকে মধ্য অথবা পূর্ব ইউরোপের অংশে অথবা রাশিয়ার উরাল পর্বতমালার সমতল ভূভাগে ইন্দো ইউরোপীয় অথবা আর্য জাতির উদ্ভব হয়। অত্যধিক শীতের জন্য হোক অথবা অন্য জাতির আক্রমণের ফলেই হোক এ আর্যরা পিতৃভূমি হতে দক্ষিণ পূর্বে ছড়িয়ে পড়তে বাধ্য হয়। সভ্যতার দিক দিয়ে এরা খুব উন্নত ছিল এমনটি নয়। এ ব্যাপারে শ্রী অমিত কুমার বাংলা সাহিত্যের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস গ্রন্থে লিখেছেন, ‘খৃস্টের জন্মের দু’ হাজার বৎসর পূর্বে অর্থাৎ আজ হইতে প্রায় ৪ হাজার বৎসর পূর্বে ভারত বর্ষের উত্তর পশ্চিম সীমান্তের কাছে আর্য জাতির এক শাখা পশ্চিম পাঞ্জাবে উপনিবিষ্ট হয়। তাহাদের পূর্বে এদেশে কোল ভিল সাওতাল প্রভৃতি অসভ্য জাতি এবং দ্রাবিড় নামক প্রধান সুসভ্য জাতি বাস করিত।’

বৃহস্পতিবার, নভেম্বর ০৭, ২০১৩

পুরুষ জাতির বহবিবাহ প্রথা কে ইসলামি শরিয়াহ আসলে কতটুকু সমর্থন করে ?

             লিখেছেন : সাফিউর রহমান

বহু বিবাহ প্রথা নিয়ে বর্তমান সমাজে অনেক কথাই হচ্ছে যে ইসলাম ধর্ম নাকি পুরুষদের বহুবিবাহ করতে উৎসাহ দেয়, ইসলামী শরীয়াহ নাকি বহু বিবাহের মাধ্যমে পুরুষদের কে উৎসাহ দেয় ঘরে সতীন ঢুকিয়ে সংসারে অশান্তি সৃষ্টি করার। আচ্ছা আসলে ইসলামী শরীয়াহ বহু বিবাহ কে কতটুকু সমর্থন করে বা কোন পুরুষ কি চাইলেই যত ইচ্ছা বিয়ে করতে পারবে এবং বহু বিবাহ করার পর একজন পুরুষকে কিভাবে সংসার চালাতে হবে এই বিষয় গুলি নিয়ে আমি এখন আমার এই Note এ বিস্তারিত আলোচনা করবো।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কন্যা ফাতেমা রাযিআল্লাহু আনহার নাম তো আমরা সবাই জানি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফাতেমা রাযিআল্লাহু আনহা কে খুব ভালবাসতেন। ফাতেমা রাযিআল্লাহু আনহা অনেক অনেক হাদীস বর্ণনা করেছেন। ফাতেমী তসবীহ নামে যে তসবীহ টা আমরা ৫ ওয়াক্ত নামাযের পর ও রাতে ঘুমানোর আগে পড়ি সেটা কিন্তু হযরত ফাতেমা রাযিআল্লাহু আনহা থেকেই বর্ণিত হয়েছে। এমনকি ফাতেমা রাযিআল্লাহু আনহার প্রতি বেশি শ্রদ্ধা দেখাতে গিয়ে শিয়ারা তাদের রাজ্য শাসন ব্যবস্থাকে ফাতেমী খিলাফত নামে অভিহিত করতো।

মঙ্গলবার, নভেম্বর ০৫, ২০১৩

যে দেশে মাওলানা শফীরা থাকে সে দেশে তসলিমাও থাকবে


               লিখেছেন : অতন্দ্র অনিঃশেষ
প্রতিটি মানুষের স্বাধীনতা আছে কথা বলার স্বাধীন দেশে কথা বলতে কারো অনুমতির বা তোষামোদের প্রয়োজন নেই মাওলানা শফি যেমন ধর্ম প্রসঙ্গে কথা বলতে পারেন , তসলিমাও ধর্ম নিয়ে কথা বলতে পারেন কারো অনুভূতিতে যদি আঘাত হানে এবং সে যদি বিচক্ষণ হয় তবে অবশ্যই যুক্তি দিয়ে বোঝাবেন

শ্রীমদ্ভগবদগীতার উত্পত্তি ও ইতিকথা

             লিখেছেন : সুমন বি

শ্রীমদ্ভগবদগীতা বহু প্রাচীন কাল থেকে একটি পবিত্র ধর্মগ্রন্থ হিসেবে সমাদৃত হয়ে আসছে । আজ থেকে হাজার হাজার বছর পূর্বে দ্বাপর যুগে শ্রীগীতার এ অমিয় বাণী কুরুক্ষেত্রের ধর্মযুদ্ধে পরমেশ্বর ভগবান শ্রীকৃষ্ণ অগ্রহায়ণ মাসের শুক্লা একাদশী তিথিতে অর্জুনকে ব্যক্ত করেছিলেন । কৃষ্ণদ্বৈপায়ন যিনি মহর্ষি ব্যাসদেব নামে সমধিক পরিচিত তিনি মহাভারত রচনা করে এই কথোপকথন ভীষ্ম পর্বের ২৫ অধ্যায় হতে ৪২ অধ্যায় পর্যন্ত সপ্তশতী শ্লোকে অন্তর্ভূক্ত করেন ।

রবিবার, নভেম্বর ০৩, ২০১৩

প্রার্থনা না করলে ঈশ্বরের ক্ষতি কোথায় ?

       লিখেছেন: অতন্দ্র অনিঃশেষ
সাধারনভাবে আমরা একটা কথায় বিশ্বাসী ঈশ্বর আমাদের সৃষ্টি করেছেন তাই আমরা তার প্রার্থনা করবো। কিন্তু এখানে প্রার্থনার সাথে সৃষ্টির সম্পর্ক আছে বলে আমার মনে হয় না।
যদি মুসলসান ধর্মের কথা বলি তাহলে আল্লাহর সৃষ্টির উদ্দেশ্য তাঁর ইবাদত করা এবং একসময় কিয়ামত হবে এবং সেখানে হিসাব নিকাশ হবে যার আমল যত বেশি সে জান্নাত/স্বর্গে যাবে আর যার নাই সে দোযখে যাবে। আমার প্রশ্ন  বিধাতার কি কিয়ামতের পরে আর ইবাদতের/ প্রার্থনার প্রয়োজন হবে না। তাহলে এই জগতের প্রতি বিধাতার এত লোভ কেন ? সেখানে আমরা তো মানুষ। আমাদের পাপের জন্য যদি পরজন্মে শাস্তি দেওয়া হয় তাহলে আমাদের সৃষ্টির অপরাধে বিধাতার শাস্তি আগে হওয়া উচিত।   

শনিবার, নভেম্বর ০২, ২০১৩

ধর্ম, ঈশ্বর এবং মানুষ

লিখেছেন : মনোবর 
প্রত্যেক ধর্মমতই জগতের সৃষ্টি ও তার ক্রিয়াকলাপের এক বিশেষ ব্যাখ্যা উপস্থাপিত করে যা আবার অন্য ধর্মমতের সঙ্গে মেলেনা। এর থেকে সিদ্ধান্ত করা যায় যে এর কোন একটি ঠিক এবং অপরগুলি ভ্রান্ত। কিন্তু এগুলির কোনটিই বিজ্ঞানের সিদ্ধান্তের সঙ্গে মেলে না। আবার বিজ্ঞান যে ভুল তাও প্রমাণ করা যায়না। অতএব ধরে নেওয়া যেতে পারে ধর্মমতের মধ্যেই সৃষ্টির ব্যখ্যা সংক্রান্ত ভুল বিদ্যমান। বর্তমান পৃথিবীতে যে আবিষ্কার গুলি হয়েছে এবং যে সব উন্নত ব্যবস্থা মানুষের হাতে এসেছে তার পূর্বাভাষ কোন ধর্মগ্রন্থেই পাওয়া যায়না। যে ধর্ম আদি সৃষ্টির ব্যাখ্যা দিতে সক্ষম তা কেন ভবিষ্যতের পথনির্দেশ দিতে ব্যর্থ এই প্রশ্ন আমরা এড়িয়ে যেতে পারিনা। এমন অনেক প্রমাণ পাওয়া যায় যে ভন্ড ও প্রতারকরাও মানুষের কাছে পূজিত হয়ে বহুভাবে মানুষকে দীর্ঘদিন ধরে ভ্রান্ত পথে পরিচালিত করেছে আর এইভাবে প্রভূত অর্থ রোজগার করে তা অবাধ ভোগবিলাসে ব্যয় করেছে।

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ৩১, ২০১৩

ধর্ম বিষয়ে বোকামেয়ের ৬০টি জিজ্ঞাসা



          লিখেছেন : বোকামেয়ে, ঢাকা
কোরআনের বাংলা অনুবাদ, হাদিস ও ইসলাম ধর্মবিষয়ক অনেক বই পড়তে গিয়ে বিভিন্ন জিজ্ঞাসা মাথায় আসে, যার জবাব পাচ্ছি না। এই জিজ্ঞাসাগুলো আমার এক সিনিয়র আপার মাধ্যমে দেশব্যাপী সুপরিচিত আলেমের নিকট পাঠিয়েছিলাম। তিনি আমাকে দেখা করতে বলেছিলেন। আমি লিখিত জিজ্ঞাসার লিখিত জবাব চেয়েছিলাম। আরেক আলেম বলেছিলেন এসব প্রশ্ন করা যাবে না? বিশ্বাস করতে হবে। কিন্তু এ যুগে জিজ্ঞসার জবাব না পেয়ে বিশ্বাস করা মুশকিল। তাই জানার আগ্রহ নিয়ে ষাটটি জিজ্ঞাসা নিম্নে প্রদান করলাম।

মঙ্গলবার, অক্টোবর ২৯, ২০১৩

কোরান কে লিখেছে ? কখন, কোথায়, কীভাবে, কেন ?

             লিখেছেন : কাজী রহমান
কোরান কে লিখেছে? কখন, কোথায়, কিভাবে, কেন? সর্বশ্রেষ্ঠ শান্তির ধর্ম মহান ইসলাম থাকতেও পৃথিবীতে এতসব অন্য ধর্ম কেন? ওরা আল্লা মানছে না কেন? বাংলাদেশের মুসলমানদের মনে কখনো কখনো এই ধরনের প্রশ্ন জাগলেও এ নিয়ে কেউ খুব একটা ঘাঁটাঘাঁটি করে না কেউ, ভাবে খামোখা কি দরকার? অসুবিধা তো হচ্ছে না তেমন। বাংলাদেশের মুসলমান তো এত গোঁড়া মুসলিম না, যার ইচ্ছা হিজাব লাগায়, যার ইচ্ছা টুপি পরে, সুটবুট পরে, কোন অসুবিধা নেই। একজন সাধারণ মুসলমান, কারো সাতে পাঁচে নেই, চাকরি কিংবা ব্যাবসা করে, খায় দায়, গান গায়, জুম্মার দিনে জামাতে নামাজ পড়ে, সেজেগুজে বৈশাখী মেলায় যায়, রোজার মাসে রোজা রাখে, ঈদ চাঁদে নতুন জামাকাপড় কেনে, কেমন আছেন কেউ জানতে চাইলে আজকাল বলে আলহামদুলিল্লাহ। ঝামেলা নেই, চিন্তা নেই, ভালো আছে, বেশী কিছু জানার দরকারও নেই। ইসলামকে প্রশ্ন করা যায়না, ঈমান নষ্ট হয়ে যায়। তবে ঈমান, বিশ্বাস বা আল্লা রসূলকে সত্য মেনে প্রশ্ন করা যায়। সংশয় মনের ভেতরে রেখে ইসলাম নিয়ে প্রশ্ন? অসম্ভব। ঈমান যাবে, ঈমান নষ্ট হওয়া মানেই তো সব শেষ। তাই বাংলাদেশের মুসলমানদের জীবনে ধর্মচার জরুরী কিন্তু ধর্মজ্ঞান অপ্রয়োজনীয়, অজ্ঞতাই আদরণীয়

বৃহস্পতিবার, অক্টোবর ১৭, ২০১৩

গ্রিকদেবতা কৃষ্ণ ও আলেকজান্ডার তাঁর বংশধারা -- একটি রাজনৈতিক পুরাকাহিনি


                         লিখেছেন : শুদ্ধ
কৃষ্ণ আসলে গ্রিকদেবতাই
আলেক্সান্ডার তক্ষশীলা দখল করলেন। পুরুকে হারালেন। শুনলেন বন্দী পুরুর উত্তর। রাজার কাছে রাজার মত ব্যবহার চায় সে। শুনেটুনে তাকে বন্ধু করলেন তার সার্বভৌমত্বের বিনিময়ে। এবারে পরিকল্পনা করছেন বাকী দেশটাও জয় করতে হবে। এর আগে অব্দি তাঁদের কাছে হিন্দুদের দেশ ছিল সিন্ধুর অববাহিকা অঞ্চল অব্দিই। এবাব্রে এসে তিনি দেখছেন দেশটা অনেক অনেক বড়। সিন্ধু ছাড়াও আরেকটা বিরাট নদী আছে, যার কাছে সিন্ধুও শিশু মাত্র, সে নদী হল গঙ্গা। তার পাশ দিয়ে গড়ে উঠেছে অজস্র জনপদ। সমৃদ্ধি তাদের কল্পনাতীত। যা বিবরণ শুনছেন তাতে মনে হচ্ছে গোটা পৃথিবীর অর্ধেক সম্পদই রয়েছে সেখানে। এ জয় করা না হলে বৃথা যাবে তাঁর বিশ্ববিজয়ের পরিকল্পনা। তিনিই পৃথিবীর প্রথম সম্রাট যিনি বিশ্ববিজয় করবেন বলেই বেরিয়েছেন। শুধু নিজের প্রান্তসীমা বাড়ানো না, তার চেয়েও বড় উদ্দেশ্য তাঁর আছে। তিনি মহাপন্ডিত অ্যারিস্টটলের ছাত্র। তিনি চান এই পৃথিবীর শেষ দেখতে। জীবন তাঁর কাছে একটা চরম রোমাঞ্চকর বিষয়। কাজেই গঙ্গাতীরের রাজ্যগুলোকে অপরাজিত রেখে তিনি ফিরে যেতে পারেন না। তাঁর আর বাকী দুনিয়া জয়ের মধ্যে পথের কাঁটা শুধু মাত্র মগধ। এই পরিকল্পনা করার সময়েই তিনি জানতে পারলেন তিনিই প্রথম গ্রীক বিজেতা নন যিনি এই ভূখন্ডে এসেছেন। তিনি স্তম্ভিত।
এই অব্দি পড়ার পরে মনে হবে এ বুঝি কোনো কল্পকাহিনীর গল্প! এখান থেকে একটা অপ্রত্যাশিত মোড় চলে আসবে। আলেক্সান্ডারেরও আগে গ্রীক বিজেতা? ইস্কুল বা কলেজ পাঠ্য ইতিহাসে কোনো উল্লেখ নেই। এ কি করে সম্ভব? যাঁদের ইতিহাস একটু পছন্দের বিষয় তাঁরা ঘাঁটতে বসবেন চেনাজানা কিছু সূত্র। কই? কোত্থাও নেই তো! না থাকাটাই স্বাভাবিক। এই খবর মোটেও আমাদের চেনা ইতিহাস্র মোড়কে নেই। তাহলে কি আছে কল্পকাহিনীতেই। আবার ধোঁয়াশা? একদমই না। কেন নয় বলার আগে কয়েকটি অভিযোগের হালকা চালে দ্রুত মীমাংসা করে নিই।

ধর্ম চেতনা ও ঈশ্বর-বিশ্বাস : মানুষের মন থেকেই ধর্মের জন্ম, ঈশ্বর নামক অদৃশ্য অলীক ব্যক্তিটির গর্ভপাত


                     লিখেছেন : ওয়াহিদ রেজা
আদিম বা আদম মানব মানব গোষ্ঠীর প্রারম্ভিক যুগে পৃথিবীতে না ছিল কোনো ঈশ্বর, না ছিলো কোনো ধর্মের অস্তিত্ব। মানুষের মন থেকেই ধর্মের জন্ম, ঈশ্বর নামক অদৃশ্য অলীক ব্যক্তিটির গর্ভপাত। তারপরও মানুষ তার অ-মানুষ স্তর থেকে মানুষের অবস্থায় বিবর্তিত হওয়ার কালে কেন বা কি করে ধার্মিক হয়ে উঠলো এবং আজ পর্যন্তই বা কেন ধর্মবিশ্বাসকে আগলে রেখেছে, কোন নিয়মে বা কোন প্রয়োজনে মানুষ তার আদিম জীবনের স্থুল ধর্মীয় ধারণাকে পরবর্তী যুগে উচ্চতর মার্জিত রূপ দান করেছে এ প্রশ্নের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত উত্তরটিতে যে কথাগুলো উঠে আসে, তা হলো সম্প্রদায়ের আধিপত্য বিস্তার ও ধর্মীয় চেতনার ধোঁয়ার অস্পষ্টতায় ক্ষমতার লিপ্সা । অর্থাৎ প্রভুত্ব। ধর্মীয় মৌলবাদের রাজত্ব। অরাজকতা। মানবতার অবমূল্যায়ন। মানুষের স্বাধিকার হরণের একচ্ছত্র শোষণ।
আজ ঐতিহাসিকভাবে এ কথা প্রমাণিত সত্য যে, প্রতিষ্ঠা প্রাপ্ত কোনো ধর্মই রক্তপাতহীন প্রতিষ্ঠা লাভ করে নি। সব ধর্মেরই প্রাতিষ্ঠানিকতার পবিত্র হাতে লেগে রয়েছে লক্ষ লক্ষ মানুষের রক্তের দাগ। ধর্ম তার এই তথাকথিত অগ্রগতির সঙ্গে নিজের যথার্থতা নিরূপণের জন্য অতীয়ন্দ্রিয় সত্তার সমর্থন ব্যতীত ধর্ম স্বপ্নের অর্থহীন শিল্পকলায় বা একটি সুন্দর মায়ায় পর্যবসিত হয়। বিস্তৃত বিশ্বজগতের অন্তর্নিহিত সত্তার সঙ্গে রয়েছে ধর্মবোধের চিরবৈরিতা। আজ বিজ্ঞান ও বস্তুবাদী দর্শনের ক্রমউৎকর্ষকালে মানুষের মৌলিক মেধা, মনন ও জ্ঞান চর্চা যখন প্রতি পদে পদে সকল রকম কুসংস্কার ও অন্ধত্বের কালো পর্দা ছিঁড়ে ছিঁড়ে বিশ্বমানবতার সার্বজনীন ঊষার আলোমুখি ধাবমান তখন ধর্মের অন্তঃসার শূণ্যতা ও ধর্মবোধের অযথার্থতা যে আগামী একদিন প্রমাণিত হবেই এ ব্যাপারে কোনো সন্দেহ থাকতে পারে না। তখন ধ্বংস হয়ে যাবে ধর্মের ভীতিকর অলীক ঈশ্বরতত্ত্ব। ধুলায় মিলিয়ে যাবে ধর্মীয় লোভ ও বিভীষিকার তথাকথিত স্বর্গ-নরকের পরলৌকিক বাগাড়ম্বর।

বুধবার, অক্টোবর ১৬, ২০১৩

নলজাতক (টেস্টটিউব) : পুরান বনাম আধুনিক বিজ্ঞান




লিখেছেন : ডঃ মানালি ভট্টাচার্য । প্রসেনজিৎ দাশগুপ্ত
জন্ম এবং জন্মরহস্য নিয়ে মানুষের কৌতুহল বহুদিনের । পুরান , উপনিষৎ এবং পৃথিবীর অন্যান্য ধর্মীয় লোকাচারে বর্নিত ও  কথিত বিভিন্ন মানব , মহামানব এবং অতিমানবের (Super Human) জন্ম ও জন্ম সংক্রান্ত নানান রহস্য ও অলৌকিক ঘটনা বহুযুগধরে মানব সমাজ ও সভ্যতাকে আলোঢ়িত করেছে , অনুপ্রানিত করেছে । বিভিন্ন জন্মরহস্যের পরতে পরতে জড়িয়ে থাকা কিংবদন্তি (myth) মানুষের মনে জাগিয়েছে শ্রদ্ধা , সম্ভ্রম ও ঐকীবদ্ধকরনের অদৃশ্য মায়াজাল । পৃথিবীর প্রায় সকল ধর্মের ধর্মীয় ইতিহাস ঘাটলে এর প্রমান বহুল পরিমানে পাওয়া সম্ভব । তা সে আদম ইভ বা খৃষ্ঠের জন্মবৃত্তান্তই হোক বা গ্রীক  পুরানের হারকিউলিসের জন্ম , মহাভারতের শ্রীকৃষ্ণ বা ভীস্মের জন্মরহস্য সবই কেমন যেন এক অদ্ভুত সুত্রে বাধা।

সোমবার, অক্টোবর ১৪, ২০১৩

উলট পুরাণ



                       লিখেছেন : সুমিত্র বন্দ্যোপাধ্যায় 
দুর্গা নিয়ে উলট পুরাণটা খেয়াল করেছেন? আমাদের এ দিকে, মানে সুন্দরবনে বাঘ দেখা যায়, কিন্তু দেবী দুর্গা সিংহবাহিনী আর পশ্চিমে, সিংহের রাজত্বে দেবী ব্র্যাঘ্রবাহিনী৷ যেমন বৈষ্ণোদেবী৷ মূর্তি নিয়ে যাঁরা গবেষণা করেন তাঁদের কাছেও এই প্রশ্নের কোনও সদুত্তর নেই৷
দুর্গা কখনও বিন্ধ্যবাসিনী, কখনও বা হিমালয় পর্বতের কন্যা পার্বতী, আবার কৈলাসে, মহাদেবের ঘরে তাঁর শ্বশুরবাড়ি৷ দুর্গম স্থানে থাকেন, তাই তিনি দুর্গা৷ তিনি দুর্গ নামে এক অসুরকে বধ করেছিলেন বলেও তিনি দুর্গা৷ তবে বাঙালিদের কাছে তিনিই দুর্গতিনাশিনী৷
 ভারতীয় জাদুঘরের অবসরপ্রাপ্ত ডিরেক্টর শ্যামল চক্রবর্তীর সঙ্গে ভারতীয় জাদুঘরের আশুতোষ শতবার্ষিকী হলে কথা হচ্ছিল কদিন আগে৷ তাঁর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, প্রাচীনতম দুর্গামূর্তিটি পাওয়া গিয়েছে রাজস্থানের নাগর থেকে৷ চতুর্থ শতক বা গুপ্তযুগ পর্যন্ত যত মূর্তি পাওয়া গিয়েছে, তাতে একটি মহিষের লেজে মোচড় (মর্দন) দিচ্ছেন দেবী, তাই তিনি মহিষমর্দিনী৷ কিন্তু পঞ্চম থেকে দশম শতাব্দী পর্যন্ত দেখা গেল দেবীর নীচে আধামানুষ-আসা মহিষ রূপ, মহিষমর্দিনী হয়ে উঠলেন মহিষাসুরমর্দিনী৷ বাংলায় প্রাচীনতম যে দুর্গামূর্তি পাওয়া যায় সেটিতে দেবীর চার হাত, মহিষের নাক মর্দন করছেন দেবী৷ এটিও গুপ্তযুগের, তবে টেরাকোটার তৈরি৷ ঐতরেয় আরণ্যকে প্রথম দুর্গা নাম পাওয়া যায়৷ কোকামুখো দুর্গার মূর্তিও পাওয়া গিয়েছে বাংলা থেকে৷ কোকামুখো দুর্গা মানে দেবীর মুখ শূকর বা শ্বাপদ প্রাণীর মুখের আদলে৷

রবিবার, অক্টোবর ১৩, ২০১৩

ধর্মাচরণ ও ধর্মবিশ্বাসের ধরণ প্রাচীনত্বের নিগড়ে বন্দী থাকবে, এটা কেমন কথা ?




                      লিখেছেন : গৌতম গুপ্ত
ধর্ম মানুষের জীবনকে কতটা নিয়ন্ত্রণ করে, সে কথা হয়তো সঠিক বুঝতে পারি না নিজে কোনও ধর্মাচরণে বিশ্বাস করি না বলে৷ যখন সুপ্রিম কোর্টে মামলায় বলা হল, রমজান পালনের জন্য রমজানের পুরো মাসটা ধরে পঞ্চায়েত নির্বাচন করা চলবে না, আমার মনে হয়েছিল, সে আবার কি? আবার রায়ে যখন বলা হল, মানুষের ধর্মীয় আবেগ ও দুর্বলতার চেয়েও বড় দেশের সংবিধানের বিধান, মনে হল, এখনও সব আশা শেষ হয়ে যায়নি৷

তারপর যখম জানলাম, অতীতে বিনা আপত্তিতেই ভারতেই রমজানের সময় বিভিন্ন নির্বাচন হয়ে গেছে, মনে প্রশ্ন এল, মুসলমানেরা কি ক্রমশ বেশি করে ধর্মাচরণে বিশ্বাসী হয়ে উঠছেন? আরও জানা গেল, শতকরা ১০০ ভাগ মুসলমান দেশ কুয়েতে এই রমজান মাসের মধ্যেই নির্বাচন হতে চলেছে, তখন মনে হল, আমাদের রাজ্যে আপত্তিটা কতটা বাস্তবসম্মত ?